Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
SSC Case

কোনও ক্যাটাগরিতে ‘অযোগ্য’? এসএসসিকে ‘দাগি’দের সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশের নির্দেশ হাই কোর্টের

এসএসসির প্রকাশিত ১ হাজার ৮০৬ জন 'অযোগ্য' প্রার্থীর পূর্ণাঙ্গ নথি-সহ তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ১২:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ১২:১০

options
link
কোনও ক্যাটাগরিতে ‘অযোগ্য’? এসএসসিকে ‘দাগি’দের সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশের নির্দেশ হাই কোর্টের zoom
ফাইল ছবি

গোবিন্দ রায়: স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর প্রকাশিত ১ হাজার ৮০৬ জন ‘অযোগ্য’ প্রার্থীর পূর্ণাঙ্গ নথি-সহ তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। বুধবার এই সংক্রান্ত মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ, তালিকায় প্রার্থীর স্কুল, জেলা এবং কোন ক্যাটাগরিতে তাঁরা ‘টেন্টেড’ বলে চিহ্নিত, সেই সংক্রান্ত স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করতে হবে। এর আগে হাই কোর্টের নির্দেশে এসএসসি (SSC Case) অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করলেও তা অস্পষ্ট ছিল বলে উল্লেখ করেন বিচারপতি সিনহা। এর পরই কমিশনকে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য-সহ নতুন করে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এদিন আদালত আরও স্পষ্ট করেছে, র‍্যাঙ্ক জাম্প, ওএমআর শিট কারচুপি, অতিরিক্ত নিয়োগপ্রাপ্ত এবং ম্যানুপুলেশন থাকা সত্ত্বেও যাঁদের নিয়োগ হয়নি- এই সমস্ত ক্যাটাগরির অযোগ্য প্রার্থীদের নাম আলাদা করে উল্লেখ করতে হবে। প্রতিটি প্রার্থীর ক্ষেত্রে কোন ক্যাটাগরিতে তাঁরা পড়ছেন, তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আবেদনকারীদের তরফে আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের প্রশ্ন, “সম্পূর্ণ তালিকা বলতে কী বোঝাচ্ছে কমিশন।” তাঁর বক্তব্য, টেন্টেড কারা, কে কোন ক্যাটাগরিতে পড়ছেন- এই তথ্য ছাড়া তালিকা অর্থহীন। নাম, রোল নম্বর, ক্যাটাগরি, বাবার নাম, স্কুল ও জেলা- সব তথ্য থাকা জরুরি। এমনকী যাঁরা ম্যানুপুলেশন করেছেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি পাননি, তাঁরাও অযোগ্য বলেই গণ্য হবেন বলে দাবি করেন তিনি। এক্সপায়ার্ড প্যানেল, অতিরিক্ত নিয়োগ এবং বিষয়ভিত্তিক (সাবজেক্ট) নিয়োগের তথ্যও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ওঠে।

Advertisement

আইনজীবী প্রতীক ধর আদালতে জানান, কারা যোগ্য আর কারা অযোগ্য- এই বিভাজন নিখুঁত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ, বহু শিক্ষক ৬-৭ বছর ধরে চাকরি করছেন। অসম্পূর্ণ তালিকা সেই বাস্তবতাকে আরও জটিল করে তুলছে। কমিশনের দাবি, যাঁদের নিয়োগ হয়নি, প্রাথমিকভাবে তাঁদের টেন্টেড বলা যায় না। তবে তিনি স্বীকার করেন, আরও একটি তালিকা তৈরির কাজ চলছে, যেখানে প্রয়োজনীয় সংযোজন করা হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.