Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
SSC scam: ED raids teacher training centre at Mahisbathan

নিয়োগ দুর্নীতিতে টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারের যোগ? তথ্যের খোঁজে মানিক ঘনিষ্ঠের অফিসে হানা ED’র

মহিষবাথানে মানিক ঘনিষ্ঠের টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারে তালা ভেঙে ঢোকেন ইডি আধিকারিকরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২২, ১৫:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২২, ১৫:২৯

options
link
নিয়োগ দুর্নীতিতে টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারের যোগ? তথ্যের খোঁজে মানিক ঘনিষ্ঠের অফিসে হানা ED’র zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: নিয়োগ দুর্নীতিতে আপাতত ইডি’র জালে মানিক ভট্টাচার্য। এবার এই দুর্নীতি কাণ্ডে আরও তথ্যের খোঁজে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে মানিক ঘনিষ্ঠ। শনিবার সকালে মহিষবাথানে মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলের টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারে হানা ইডি আধিকারিকদের। চলছে জোর তল্লাশি। এছাড়া এদিন কলেজ স্ক্যোয়ার, সল্টলেক, কৈখালি, ট্যাংরা ও বারাসতের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর।

মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya) ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল মহিষবাথানের এই বাড়িটি মিনার্ভা এডুকেশন সোসাইটির নামে ভাড়া নেন। টিচার্স ট্রেনিং সেন্টার খোলেন। যদিও অফিসের বাইরে এই সংক্রান্ত কোনও সাইন বোর্ড নেই। এই অফিসে আসা-যাওয়া ছিল খোদ মানিক ভট্টাচার্যেরও। স্থানীয়দের দাবি, ৩-৪ মাস আগে অফিসটি বন্ধ হয়ে যায়। তারপর থেকে আর তাপসকে দেখতে পাননি কেউ। বকেয়া ভাড়াও। ইডি আধিকারিকরা মনে করছেন, টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারের আড়ালে এই অফিসে বসেই নিয়োগ দুর্নীতিতে আর্থিক লেনদেনও হত। ওই টাকাই তাপস মণ্ডলের হাত হয়ে মানিক-সহ দুর্নীতি কাণ্ডের মাথাদের হাতে পৌঁছে যেত বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: তুরস্কের কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত কমপক্ষে ২৫]

দুর্নীতি সংক্রান্ত আরও নানা তথ্যের খোঁজে শনিবার সকালে ইডি (ED) আধিকারিকরা মহিষবাথানে হানা দেন। তালা বন্ধ থাকায় ঢুকতে কিছুটা বেগ পেতে হয়। চাবিওয়ালা খুঁজে আনা হয়। প্রায় ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় তালা ভেঙে শাটার খুলে অফিসের ভিতরে ঢোকেন তদন্তকারীরা। ওই অফিস থেকে বেশ কিছু ছবি উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া নানা ধরনের নথিপত্র মিলেছে। ব্যাংকের স্লিপ এবং বেশ কয়েকটি খাম পাওয়া গিয়েছে। ওই খামের ভিতরে কী রয়েছে, সেটাই এখন দেখার।

উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও তাঁর ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। তারপর একে একে কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, এসপি সিনহা, অশোক সাহাকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সম্প্রতি ইডি’র হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন মানিক ভট্টাচার্য। তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

[আরও পড়ুন: ‘আমাদের তিন স্ত্রী থাকলেও সবাইকে সম্মান করি, কিন্তু হিন্দুরা…’, মিম নেতার মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.