৫ মাঘ  ১৪২৫  রবিবার ২০ জানুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফিরে দেখা ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথম দিনের মতো বনধের দ্বিতীয় দিনেও যাদবপুরে বনধ সমর্থকদের তাণ্ডব। নেতৃত্বে বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী। গতকাল সকালেও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড চত্বর। যার জেরে আজ সকাল থেকেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল ৮বি চত্বরে। এদিন সকালেও এই এলাকায় মিছিল বের করার পরিকল্পনা ছিল বাম কর্মীদের। বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে বেশ কিছু বামকর্মী এলাকায় মিছিল শুরু করে। মিছিল মেন রোডে আসার আগেই বাধা দেয় পুলিশ। কিন্তু, পুলিশের বাধার মুখেও বাম কর্মীরা নাছোড় মনোভাব দেখান। পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন।

[বনধের দ্বিতীয় দিনে বিভিন্ন জায়গায় রেল অবরোধ, ফের স্কুলবাসে হামলা]

বেশ কিছুক্ষণ পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি চলে বনধ সমর্থকদের। বিক্ষোভ দমন করতে আটক করা হয় বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীকে।পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে খবর।  গতকালও তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে অবশ্য তাঁকে বিনা শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়। গতকাল রাতে জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন সুজন চক্রবর্তী। এদিন সকালে ফের তিনি জানিয়ে দেন বনধের সমর্থনে মিছিল করবে বামেরা। তাঁর নেতৃ্ত্বেই মিছিল শুরু হয়। কিন্তু পুলিশি বাধায় তা শেষ পর্যন্ত ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এদিকে, এন্টালিতেও মিছিল করার প্রস্তুতি শুরু করেছে ধর্মঘটীরা। সিটু নেতা অনাদী সাহুর নেতৃ্ত্বে মিছিল হবে মৌলালিতেও। যাদবপুরে এবং মৌলালি ছাড়া এদিন সকালে অন্য এলাকায় বনধ সমর্থকদের সেভাবে দেখা যায়নি।

[হরতালের প্রথম দিনে প্রাসঙ্গিক হতে পেরেই খুশি বামেরা]

শহর কলকাতার পরিস্থিতি কার্যত স্বাভাবিক হলেও রাজ্যের অন্য প্রান্তে আংশিক প্রভাব পড়েছে বনধের। বিশেষত বনধ সমর্থকদের তাণ্ডবে সমস্যা হয়েছে ট্রেন চলাচলে। শিয়ালদহ মেন শাখায় রানাঘাট এবং শিমুরালি স্টেশনে অবরোধ করেছে বনধ সমর্থকরা।অন্যদিকে, বারাকপুর এবং নৈহাটি শিল্পাঞ্চলে বনধের দ্বিতীয় দিনে ভাল প্রভাব পড়েছে। প্রথম দিনের তুলনায় শিল্পাঞ্চল শ্রমিকদের উপস্থিতির হার অনেকটাই কম। একাধিক জুটমিল বন্ধ রাখতে হয়েছে বলে খবর। যদিও, দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে ছবিটা অন্যদিনের মতোই। 

ফাইল ছবি।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং