Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
BJP

‘লবি’র গেরো! স্বাস্থ্যভবন অভিযানে সুকান্ত-দিলীপ থাকলেও দেখা নেই শুভেন্দুর

ইচ্ছাকৃতভাবে সুকান্তর ডাকা কর্মসূচি এড়িয়েছেন শুভেন্দু?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৫, ১২:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৫, ১২:৪৩

options
link
‘লবি’র গেরো! স্বাস্থ্যভবন অভিযানে সুকান্ত-দিলীপ থাকলেও দেখা নেই শুভেন্দুর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দল এক, তবে লবি ভিন্ন ভিন্ন। যার জেরে শীর্ষ পদে বসে একে অপরকে এড়িয়ে চলছেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা! স্যালাইন বিতর্ককে হাতিয়ার করে বিজেপির স্বাস্থ্যভবন অভিযানের পর সেই জল্পনাই উঁকি দিতে শুরু করেছে। সোমবার স্বাস্থ‌্যভবনের সামনে বিজেপির অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচিতে একইমঞ্চে সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষকে দেখা গেলেও ছিলেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনায় চর্চা শুরু হয়েছে পদ্ম শিবিরে।

মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রসূতি ও এক সদ্যোজাতের মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতর তুঙ্গে উঠেছে। বিরোধীদের অভিযোগ ‘বিষাক্ত’ স্যালাইনের কারণে এই মৃত্যু। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার স্বাস্থ্যভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। দাবি ছিল স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ। সুকান্তের নেতৃত্বে সোমবার স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ এর অনুমতি দেয়নি। রবিবার রাতেই মঞ্চ বাঁধতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। অস্থায়ী মঞ্চ করে কর্মসূচি হয়। যদিও তাতে খুব একটা জমায়েত হয়নি।

Advertisement

এদিকে বিজেপির এই কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজ্য রাজনীতিতে। সোমবার এই কর্মসূচিতে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারির টিকি দেখা যায়নি। এর পরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বঙ্গ বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে। এই দিন শুভেন্দুর বিশেষ কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল বলে জানা যায়নি বিজেপি সূত্রে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে তবে কী ইচ্ছাকৃতভাবে সুকান্তর ডাকা এই কর্মসূচি এড়িয়েছেন তিনি?

অবশ্য রাজ্য বিজেপিতে লবির গেরো নতুন কিছু নয়। গেরুয়া শিবিরের অন্দরে কান পাতলে শোনা যায়, গত বছরও বঙ্গে রীতিমতো ঠান্ডা লড়াই চলত সুকান্ত, দিলীপ ও শুভেন্দুর তিন লবির। দ্বন্দ্ব কাটিয়ে একত্রে কাজ করার জন্য বার বার এই তিন নেতাকে একসঙ্গে বসিয়ে ও আলাদা আলাদা ভাবে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডার মতো নেতারা। বোঝানো হয়েছিল, এই লবির জেরেই ভোটে ফল খারাপ হচ্ছে। শোনা যায়, দিল্লির নেতাদের ভর্ৎসনার জেরে একত্রে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন এই তিন নেতা। কিন্তু সোমবারের কর্মসূচিতে সুকান্ত-দিলীপ হাজির থাকলেও শুভেন্দুর অনুপস্থিতি ফের অতীতের দ্বন্দ্বে শিলমোহর দিচ্ছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.