রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: ফের বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠকে গরহাজির শুভেন্দু অধিকারী। কেন? জবাব দিতে গিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। খানিক খোঁচার সুরেই তিনি বলে দিলেন, “উনি তো রাজ্যের ব্যস্ততম নেতা।”
আজ শহরে বিশেষ সাংগঠনিক কর্মশালার আয়োজন করেছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। প্রাক্তন সভাপতি থেকে বর্তমান সভাপতি, কেন্দ্রীয় সব পর্যবেক্ষক, বিধায়ক, সাংসদ, জেলা সভাপতি-সহ সকলেই উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু ছিলেন না শুধু বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ প্রথম নয়, সম্প্রতি একাধিক সাংগঠনিক বৈঠক ছিলেন না তিনি।
শুভেন্দু কেন দলীয় সাংগঠনিক বৈঠকে থাকেন না? প্রশ্ন করা হলে সুকান্তর জবাব বেশ ইঙ্গিত্পূর্ণ। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বললেন, “সাংগঠনিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতার ডাক থাকে না সবসময়। তাঁকে নিয়ে আমরা আলাদা করে বসি। তাছাড়া এখন শুধু নয়, আগেও উনি সাংগঠনিক বৈঠকে আসতেন না।” ব্যাখ্যা হিসাবে শুভেন্দুর বক্তব্য, “সাংগঠনিক বৈঠকে উনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। কারণ, আমাদের যে সাংগঠনিক বৈঠক অনেক দীর্ঘ হয়। তাছাড়া ওনার অনেক প্রোগ্রাম থাকে। উনি তো পশ্চিমবঙ্গের ব্যস্ততম নেতা। তাঁকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে হয়। সময় পাবেন কোথায়!” সুকান্তর মন্তব্যে কোথাও যেন কটাক্ষ খুঁজে পাচ্ছেন রাজনীতির কারবারিরা।
বিতর্ক অবশ্য এখানে থামেনি। পালটা আসরে নেমেছেন শুভেন্দুও। সুকান্তর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিরোধী দলনেতা বলেন, “মেদিনীপুর চিকিৎসকদের আন্দোলনে ছিলাম। তারপর সোদপুরে আরজি করের নির্যাতিতার বাড়িতে এসেছি। আমি বিরোধী দলনেতা। দলের কোনও সাংগঠনিক পদে নেই। যিনি বলেছেন তাকেই জিজ্ঞাসা করুন। আমি বিরোধী দলনেতা, কাজ সম্পর্কে আমি সচেতন।”
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে