সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিটি রোডে গাড়ির সংখ্যা কম। তাই সেভাবে যানজট নেই। কিন্তু চিড়িয়ামোড় থেকে বাস ঘুরতেই টালা ব্রিজে বাস বন্ধের ভোগান্তি মালুম হল যাত্রীদের। বেলগাছিয়া ব্রিজ-আরজিকরের সামনে প্রায় আধ ঘণ্টা-চল্লিশ মিনিট আটকে রইল বাস। ফলে যা হওয়ার তাই হল। সপ্তাহের প্রথম দিনই অফিসে বেরিয়ে যানজটে আটকা পড়লেন নিত্যযাত্রীরা। আর সোদপুর-বারাকপুরের দিক থেকে আসা হাওড়া স্টেশন বা নবান্নগামী বাস তো ঘুরিয়ে দেওয়া হল ডানলপ দিয়েই। বালি-বেলুড়-সালকিয়া হয়ে গন্তব্যে পৌঁছতে লেগে গেল অনেক বেশি সময়। ফলে টালা ব্রিজে বাস বন্ধের জেরে সপ্তাহের প্রথমদিনই চরম দুর্ভোগে পড়তে হল নিত্যযাত্রীদের।
[আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোয় ‘বঙ্গপ্রয়াস’-এর প্রচার ভিডিওতে সম্প্রীতির বার্তা, মন ছুঁয়েছে সবার]
কোন বাসে গেলে কোথায় নামবেন তাই বুঝতে পারলেন না কেউ কেউ। কেউ পরিচিত বাসে উঠেও নেমে পড়লেন। কেউ আবার পায়ে হেঁটেই রওনা হলেন গন্তব্যে। এদিকে আজই চারটে ব্রিজের উদ্বোধন করছে রাজ্য সরকার। বাঙ্গুর সাবওয়ে ও লেকটাউন ফুটব্রিজের মধ্যবর্তী বেইলি ব্রিজ, করুণাময়ী টালিগঞ্জের কাছে ক্যানাল ব্রিজ এবং ক্যানাল ব্রিজ ইয়াতুল্লাহ লেন এবং কেপি রায় লেনকে সংযুক্ত করবে আরেকটি ব্রিজ। উদ্বোধন করবেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এদিকে টালা ব্রিজে গাড়ি চালানো নিয়ে নবান্নে বৈঠকে বসছেন প্রশাসনের কর্তারা। থাকবেন রাইটস এবং রেলের কর্তারাও।
[আরও পড়ুন: সত্যি হল জল্পনা! অমিত শাহের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন সব্যসাচী]
আশঙ্কা ছিলই। হলও তাই। টালা ব্রিজে বাস বন্ধে একেবারে ‘ঘেঁটে ঘ’ সাধারণ যাত্রীরা। এদিন সকাল থেকে সরকারি বাসের গতি তবু থাকলেও বেসরকারি বাস ঘোরানো হল ইচ্ছেমতো রুট দিয়ে। তাতেই দুর্ভোগ বাড়ল নিত্যযাত্রীদের। বাসে দীর্ঘ সময় কাটাতে বিরক্তির একশা হল আমআদমির। সপ্তাহের প্রথম দিনই অফিসযাত্রীর চাপ সামলাতে বেশ বেগ পেতে হল ট্রাফিক কর্তাদেরও। সোদপুর, বারাকপুর, খড়দহের মতো উত্তর ২৪ পরগনা জেলা থেকে আসা অনেক যাত্রীই বাস ছেড়ে এদিন লোকাল ট্রেন বেছে নিয়েছেন অফিস আসতে। ফলে ট্রেনে ভিড় ছিল এদিন বেশি। কেউ দমদমে নেমে মেট্রো ধরেছেন। কেউ শিয়ালদহে নেমে বাস। এরই পাশাপাশি প্রায় অধিকাংশ রাস্তার দু’ধারে বাঁশের ব্যারিকেড দেওয়ায় সমস্যা আরও বেড়েছে। দর্শনার্থীদের কথা ভেবে এই ব্যারিকেডের কারণে রাস্তার পরিসর ছোট হয়ে গিয়েছে। তাতে যানজট আরও বেড়েছে উত্তর কলকাতায়। তার প্রভাব এসে পড়েছে মধ্যতেও। বারাকপুর, সোদপুর-সহ উত্তর ২৪ পরগনার শহরতলি এবং বেশ কয়েকটি জেলা থেকে বাস এসে বিটি রোড ধরে মূলত টালা ব্রিজ ধরেই শহরে ঢোকে। কিন্তু রবিবার থেকেই তা বন্ধ। সকালেই উত্তর শহরতলি থেকে শ্যামবাজারগামী বাসগুলি চিড়িয়া মোড় থেকে দমদম রোড সেভেন ট্যাঙ্কস, নর্দার্ন এভিনিউ, মিল্ক কলোনি, বেলগাছিয়া রোড, আরজিকর রোড ধরে ঘুরে শ্যামবাজার আসে। যে কারণে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। আর কলকাতা থেকে ঢোকা উত্তর শহরতলিগামী গাড়িগুলি সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ হয়ে কাশীপুর রোড ধরে চিড়িয়া মোড় হয়ে বিটি রোডের দিকে যায়। বেশ কয়েকটি জায়গায় ভালরকম যানজট হয়।
ছবি: অরিজিৎ সাহা
সর্বশেষ খবর
-
টিটাগড়-বারাকপুর পুর-দুর্নীতিতে স্পেশাল অডিটের দাবি, মেট্রো নিয়েও তৎপর কৌস্তভ
-
‘পিঠে বানাতে’ বিধায়ক কার্যালয়ে মহিলাদের ডাক! গ্রেপ্তার বর্ধমানের ‘শাহজাহান’ খোকন
-
৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বার ঝুঁকিপূর্ণ শারীরিক কসরত! ভিডিও দেখে হতবাক নেটপাড়া, উঠল সমালোচনার ঝড়
-
অবশেষে সুখবর দিল হাওয়া অফিস, নিনো ভ্রুকুটির মাঝেই দেশে ঢুকেছে বর্ষা!
-
রাহুলের মৃত্যুতে আচমকা বন্ধ ‘চিরসখা’, দুমাস পর ছোট পর্দায় প্রত্যাবর্তন ‘কমলিনী’র, কোন ভূমিকায় অপরাজিতা?