অর্ণব আইচ: কয়েকদিন আগেই রাতের কলকাতায় (Kolkata) একটি ক্যাফে তথা হুক্কা বারে বোমাবাজি ও গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে ফিল্মি কায়দায় হুগলির (Hooghly) বৈচি থেকে তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র।
ঘটনার সূত্রপাত ১৭ সেপ্টেম্বর। ওইদিন রাত দেড়টা নাগাদ নাসিরুদ্দিন রোডের নিশাত হায়দার নামে বছর পঁচিশের এক যুবক কলকাতার ওই হুক্কা বারে যায়। তার সঙ্গে ছিল আরও ৩ জন। হুক্কা বারে ঢুকেই মালিক রাহুল সিংয়ের খোঁজ করতে থাকে। সেই সময় রাহুল ছিলেন না। তাই ওই যুবকদের সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে আসেন ম্যানেজার মহম্মদ আমিন। অভিযোগ, ওই যুবকেরা ম্যানেজারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। বন্দুকের বাঁট দিয়ে একাধিকবার আঘাত করা হয় তাঁকে। বেরনোর সময় হুক্কা বারের সামনে বোমাবাজি করে তারা। পরপর চারটি বোমা ফাটানো হয়। শূন্যে তিন রাউন্ড গুলিও চালায় অভিযুক্তরা। রাতেই কড়েয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলে তদন্তে নামে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: NRS হাসপাতালের বেড থেকে পড়ে মৃত্যু ক্যানসার আক্রান্ত কিশোরীর, ক্ষোভে ফুঁসছে পরিবার]
এরপরই বৈচির বাসিন্দা শেখ রুস্তমের বাড়িতে অভিযুক্ত নিশাত হায়দার, মহম্মদ শাহনওয়াজ হোসেন ও মহম্মদ মাসুক লুকিয়ে আছে বলে জানতে পারে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতেই ওই বাড়িতে হানা দেয় তদন্তকারীরা। তাঁদের দেখতে পেয়েই ব্যালকনি থেকে ঝাঁপ দিয়ে একটি কচুরিপানা ভরা পুকুরে গা ঢাকা দেয় অভিযুক্তরা। এদিকে গোটা বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তদের না পেয়ে মালিক শেখ রুস্তামকে চেপে ধরে পুলিশ। তখন তিনিই জানায় যে, ডোবায় লুকিয়েছে নিশাত হায়দাররা। সঙ্গে সঙ্গে জায়গাটি ঘিরে ফেলে বিশাল বাহিনী। সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় তিন যুবককে। ঘটনার দিন ব্যবহার করা অস্ত্রগুলিও উদ্ধআর করেছে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: রাতদুপুরে বীভৎস মুখ নিয়ে হাজির ‘ভূত’! খাস কলকাতায় আতঙ্কে পুলিশের দ্বারস্থ প্রৌঢ়া]
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার