×

৯ চৈত্র  ১৪২৫  সোমবার ২৫ মার্চ ২০১৯   |   শুভ দোলযাত্রা।

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও #IPL12 ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: ২০১৯-এর মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লোকসভা নির্বাচনের লড়াই। দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছিল দু’দিন আগেই। কলকাতা-সহ রাজ্যের সর্বত্র এবার সরাসরি প্রার্থীরা হাত লাগালেন দেওয়াল লিখনে। নামলেন এলাকায় প্রচারে। শুধু দেওয়াল লিখনই নয়, কোথাও প্রার্থীদের দেখা যাচ্ছে মন্দিরে পুজো দিচ্ছেন, কোথাও শুরু করে দিয়েছেন বাড়ি বাড়ি যাওয়া। এলাকার কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকের কর্মসূচিও রয়েছে বিভিন্ন সংসদীয় ক্ষেত্রে। তার মধ্যে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন এমন কংগ্রেসত্যাগী বিধায়করা এদিন বিধানসভায় তাঁদের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন। সব মিলিয়ে ভোটের ময়দানে নেমে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে, দলের বিধানসভাকেন্দ্রিক নেতাদের নিয়ে প্রচারে নেমে পড়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। শতাব্দী রায় যেমন তারাপীঠে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেছেন, তেমনই মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহানরা দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন।

 

[ভাঙন অব্যাহত, বিজেপিতে যোগ দিলেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল বিধায়ক অর্জুন সিং]

বৃহস্পতিবার সকালেই বিধানসভায় গিয়ে বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূ্‌লের তিন প্রার্থী। কংগ্রেসত্যাগী বিধায়ক অপূর্ব সরকার, আবু তাহের, কানহাইয়ালাল আগরওয়ালরা। এক সময় অধীর চৌধুরির প্রধান সেনাপতি ছিলেন অপূর্ব সরকার ও আবু তাহেররা। মোর্চার দার্জিলিংয়ের বিধায়ক অমর সিং রাইও ইস্তফা দেবেন। কিছুদিন আগেই কংগ্রেস ত্যাগ করে এই তিন বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেননি। সম্প্রতি দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করার সময় তাঁদের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দেন তৃণমূলনেত্রী। এমনটা না করলে তাঁরা দলত্যাগ-বিরোধী আইনে ফাঁসতে পারেন। লোকসভায় প্রার্থী হওয়ার জন্য যা কখনওই কাম্য নয়। সে কারণেই এদিন দলীয় নির্দেশ মেনে পদত্যাগ করলেন তিন কংগ্রেসত্যাগী বিধায়ক।

[দিল্লিতে মুকুলের বাড়িতে অর্জুন, আজই বিজেপিতে যোগদান!]

মেদিনীপুরের এবারের তৃণমূলের প্রার্থী মানস ভুঁইয়া রাজ্যসভায় প্রার্থী হওয়ার সময়ও এই একই কারণে নিজের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার বেলা গড়াতেই বিধানসভায় পৌঁছে যান তৃণমূলের প্রার্থী তিন বিধায়ক। পদত্যাগ করে দেখা করেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও। এই পদত্যাগ পর্ব মিটলে নিজেদের আসনের জন্য প্রচার শুরু করে দেবেন তাঁরাও। অন্যদিকে, ওই আসনগুলিতে আবার উপনির্বাচন হবে। পদত্যাগের ছ’মাসের মধ্যে সেখানে আবার নির্বাচন করে প্রার্থীদের জিতিয়ে আনতে হবে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং