Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

লোকসভা ভোটের আগে শক্তি প্রদর্শনে তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ

বিজেপি বিরোধী সব দলকে আমন্ত্রণ মুখ্যমন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০১৯, ১৮:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০১৯, ১৮:০২

options
link
লোকসভা ভোটের আগে শক্তি প্রদর্শনে তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ zoom

কিংশুক প্রামাণিক, শিলিগুড়ি: লোকসভা ভোটের আগে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মহার‌্যালির ডাক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ডিসেম্বরে ওই সমাবেশ হবে। সব বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সেই মঞ্চে হাজির করে বিজেপির বিরুদ্ধে মহাজোটের আহ্বান রাখবেন তিনি। স্লোগান দেবেন কেন্দ্রের শাসকদলের বিরুদ্ধে এক আসনে এক প্রার্থীর। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে ব্রিগেড সমাবেশ ডাকার কথা ঘোষণা করেন মমতা।

[স্কুটি থেকে লাফ দিয়ে ‘রোমিও’ ধরল কলকাতা পুলিশের ‘দ্য উইনার্স’]

Advertisement

তৃণমূলের বাৎসরিক ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ এসে গিয়েছে। এবার এই সমাবেশের পঁচিশ বছর পূর্ণ হচ্ছে। তার ওপর লোকসভা ভোট আসন্ন। ফলে মমতা চেয়েছিলেন একুশের সভা ব্রিগেডে নিয়ে যেতে। এবং দেশের সমস্ত বিরোধী নেতৃত্বকে কলকাতায় এনে জোটকে মজবুত করে তুলতে। কিন্তু বর্ষার জন্য সবাই বারণ করে। ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের পর এই সমাবেশ ব্রিগেডে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু জলকাদায় ব্রিগেডের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর হয়নি। মমতা সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, “এইজন্য একুশে আর কাউকে ডাকছি না। ডিসেম্বরে ব্রিগেড সমাবেশ হবে। সবাইকে আমন্ত্রণ করব।” বস্তুত, বিজেপিকে উনিশের ভোটে ক্ষমতাচ্যুত করতে বহুদিন ধরেই বিরোধী ভোট এক করার কথা বলছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এর জেরে আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে সমন্বয় তৈরি হচ্ছে। ফেডারেল ফ্রন্ট গড়ে উঠছে। মমতার সূত্র, যে যেখানে শক্তিশালী তাকে সেখানে নেতৃত্ব দিতে দেওয়া হোক। তাঁর এই ফর্মুলায় ফল মিলছে ভোটে। বিরোধী দলের ঐক্যবদ্ধ প্রার্থীর কাছে পর পর উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয় কাঁপুনি ধরিয়া দিয়েছে গেরুয়া শিবিরে। এই ঐক্যকে লোকসভা ভোট পর্যন্ত নিয়ে যেতে চান মমতা। বিরোধী জোট কতটা দানা বাঁধছে তা বোঝা গিয়েছিল পাটনায় গান্ধী ময়দানে লালুপ্রসাদের মহার‌্যালিতে। সব দল তাতে শামিল হয়। এরপর কর্নাটকে কুমারস্বামীর শপথে সব বিরোধী নেতৃত্ব হাজির হয়ে যান।

[ভরতিতে অস্বচ্ছতার অভিযোগ, এবার পড়ুয়াদের অবস্থান বিক্ষোভ প্রেসিডেন্সিতে]

এবার মমতা চাইছেন ব্রিগেডে এমন একটি মহা সমাবেশ করতে যেখানে হাজির থাকবেন সমস্ত বিরোধী মুখ। সেই সভা থেকে তিনি এবার কেন্দ্রেও পরিবর্তনের ডাক দেবেন। দেশের সব বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক মধুর। অনেকেই চাইছেন, এই লড়াইয়ে সামনে থাকুন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। ফলে সেদিন মমতার পাশে এক নজিরবিহীন তারকা সমাবেশ কলকাতায় দেখা যেতে পারে। ২১ জুলাইয়ের সভায় সবাইকে আমন্ত্রণ করার পাশাপাশি এদিন থেকে তাঁর ব্রিগেডেরও প্রচার শুরু করে দিলেন মমতা। এদিকে আগামী ৩০ আগস্ট চেন্নাইয়ে কেন্দ্রবিরোধী সমাবেশের ডাক দিয়েছেন ডিএমকে নেতা স্তালিন। বিশেষ আমন্ত্রণ করা হয়েছে মমতাকে। তিনি ওই সভায় যোগ দেবেন। এদিন নানা ইস্যুতে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে আম আদমি পার্টির নেতা বিজেপির কট্টর সমালোচক যোগেন্দ্র যাদবের বাড়িতে আয়কর হানা থেকে ঝাড়খণ্ডে মিশনারিজ অফ চ্যারিটির আশ্রম বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ মমতা বলেন, “গণতন্ত্রে বিরোধীদল থাকবে। সমালোচনা শুনতে হবে। কিন্তু এখানে যে সমালোচনা করছে তার ওপর আক্রমণ হচ্ছে। পার্টির লোক যা বলছে সরকারও তাই বলছে। সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে মিথ্যা প্রচার করা হচ্ছে।” মমতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমি বলছি এখন ক্ষমতায় আছেন বলে এমন কিছু করবেন না যা নিজেদের দিকে একদিন ফিরে আসবে। চিরদিন কেউ ক্ষমতায় থাকবে না।” এদিন উত্তরকন্যায় চা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন অরূপ বিশ্বাস, মলয় ঘটক, গৌতম দেব, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, ইন্দ্রনীল সেন প্রমুখ মন্ত্রী। আজ শুক্রবার মমতা ফিরছেন কলকাতায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.