Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
TMC leader Kunal Ghosh again slams Subhaprasanna

‘জমি বা কমিটি দরকার?’, ভাষা বিতর্কে শুভাপ্রসন্নকে ফের খোঁচা কুণালের

পালটা জবাব দিলেন শুভাপ্রসন্নও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৩, ২১:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৩, ২১:০২

options
link
‘জমি বা কমিটি দরকার?’, ভাষা বিতর্কে শুভাপ্রসন্নকে ফের খোঁচা কুণালের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্নর মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক বেড়েই চলেছে। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও চিত্রশিল্পীকে কড়া ভাষায় জবাব দিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। পালটা জবাব দিলেন শুভাপ্রসন্নও।

এদিন কুণাল বলেন, “শুভাদা এটা নিয়ে অনেক বাড়াবাড়ি করছেন। অকারণ বিতর্ক তৈরি করছেন। দলের তরফ থেকে কেউ ওনার সঙ্গে কথা বলুন। আমার মনে হয় ওনার কোনও জমি বা কমিটিতে জায়গা দরকার। তাই এসব বলছেন। নিজের সংস্থার নাম রেখেছেন আর্টস একর। সেখানে তো বাংলা ভাষায় লেখেননি। কেন এরকম বলছেন? উনি আমাদের দলের কেউ নন। দলের শুভানুধ্যায়ী। দলের তরফ থেকে ওনার সঙ্গে কথা বলা হোক, ওনার বাড়তি কোনও জমি দরকার কিনা বা কমিটি দরকার কিনা?” পালটা জবাব দিতে ভোলেননি চিত্রশিল্পীও। তিনি বলেন, “আমি জমি দিয়ে কী করব? আমার অনেক জায়গা আছে। আমার ছবি ১০ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়। এই তো কয়েকদিন আগে আমার আঁকা মহাভারত সিরিজের প্রদর্শনী হয়ে গেল।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘জমির মীমাংসা হয়ে গিয়েছে’, শান্তিনিকেতন থেকে লন্ডনে পাড়ির আগে দাবি অমর্ত্যর]

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ভাষা দিবসের মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনেই চিত্রশিল্পী বলেন, “বাংলা ভাষার উচ্চারণ, বাংলা ভাষার তাৎপর্য, বাংলার ভাষার বৈশিষ্ট্য থেকে আমরা সরে আসছি। যে শব্দগুলোকে আমরা কখনও বাংলা বলি না, ভাবি না, সেই শব্দ এখন বাংলা ভাষায় ঢুকছে। আমরা কোনও দিন বাংলা ভাষায় পানি ব্যবহার করি না। আমরা কোনও দিন কখনও দাওয়াত দিই না। সুতরাং, ভাবতে হবে কোন ভাষা আমাদের ভাষা।”

ওই একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে নাম না করে শুভাপ্রসন্নর ওই মন্তব্যকে সংকীর্ণ মানসিকতার বলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। বিভিন্ন ভাষা থেকে আসা শব্দভাণ্ডারকে স্বাগত জানিয়ে মুখ‌্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘জল বা ওয়াটারকে কেউ কেউ পানি বলে। এটা আপনাকে মেনে নিতে হবে। মাকে কেউ আম্মা বলে। এটাকে মেনে নিতে হবে। ওরা অতিথি সেবাকে দাওয়াত বলে। এটা বাংলাদেশের ভাষা। যাঁরা ও পার থেকে এ দেশে এসেছেন, তাঁরা এই ভাষাটাকে গ্রহণ করেছেন। আমি মাতৃভাষাকে চেঞ্জ করতে পারি না। যেটা শিখে এসেছে, সেটা চেঞ্জ করবে কী ভাবে।’’ শুভাপ্রসন্নর বক্তব‌্যকে যে তিনি মান‌্যতা দিচ্ছেন না তা ফুটে ওঠে চোখে-মুখে।

নিজের বক্তব্যে মুখ‌্যমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে শুভাপ্রসন্নকে শ্রদ্ধা করেন জানিয়েও বুঝিয়ে দেন, শুভাপ্রসন্ন যে সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ভাষার প্রসারের কথা বলছেন তার সঙ্গে একমত নন স্বয়ং মমতা। ভাষা মানে যে আসলে যোগাযোগের মাধ্যম তা বোঝাতে মুখ‌্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ল্যাঙ্গুয়েজ মিনস কমিউনিকেশন।’’ এসব সত্ত্বেও শুভাপ্রসন্ন নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি বুধবারও এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হয়তো রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার জন্য একথা বলছেন। আমার তেমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। আমার যা মনে হয়, তাই বলব। যারা যারা তাঁর মন্তব্যের বিরোধিতা করছেন, তাঁদের ‘তেলবাজ’ বলেও তোপ দাগেন তিনি।

[আরও পড়ুন: অনির্বাণের সঙ্গে জুটিতে রানি মুখোপাধ্যায়, ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’র ট্রেলারে চমক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.