৫ ভাদ্র  ১৪২৬  শুক্রবার ২৩ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে আয়কর নোটিস নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এই ইস্যুতে কলকাতায় ধরনায় বসল তৃণমূল কংগ্রেসে বঙ্গজননী বিগ্রেড। মঙ্গলবার সকাল থেকে সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে বাসন্তী রংয়ের শাড়ি পরে ধরনায় বসেছেন কাকলী ঘোষদস্তিদার, শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের মতো শাসকদলের প্রথমসারির নেত্রীরা। ধরনা চলবে সন্ধে ছ’টা পর্যন্ত। ধরনায় শামিল বেশ কয়েকটি পুজো কমিটির সদস্যরাও।

[আরও পড়ুন: বিজেপির হাত থেকে পুজো বাঁচাতে তৃণমূলের ভরসা পাড়ার প্রবীণরা]

বাড়ির পুজো তো আছেই, কলকাতায় ছোট-বড় মিলিয়ে অন্ততপক্ষে ৩০ হাজার বারোয়ারি দুর্গাপুজোও হয়। সেই দুর্গাপুজো নিয়ে চলছে রাজনৈতিক দড়ি টানাটানি৷ কমিটিগুলির কোনও পদ দখল করে পুজোর রাশ নিজের হাতে আনতে চাইছে গেরুয়া শিবির৷ অনেকেই বলছেন, তার অঙ্গ হিসাবেই পুজো কমিটিগুলির কাছে আয়করের নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্র সরকার৷ প্রথম থেকে এই নোটিসের বিরোধিতা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বেশ কয়েকদিন আগে বারাসতের যাত্রা উৎসবে গিয়ে এই প্রসঙ্গে সুরও চড়িয়েছিলেন তিনি৷ এবার এক্কেবারে পথে নেমে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নিলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান৷ দিন কয়েক আগেই দলের বঙ্গজননী ব্রিগেডের ধরনা কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী।  

সেই ঘোষণা মতোই মঙ্গলবার সকাল থেকে কলকাতার সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে ধরনায় বসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বঙ্গজননী ব্রিগেড। সংগঠনের সভানেত্রী ও তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার বলেন, ‘দুর্গাপুজো বাংলা কৃষ্টি ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তাই পুজো কমিটিগুলিকে আয়কর নোটিস পাঠিয়ে বাংলার সংস্কৃতিতে আঘাত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যা কখনও মেনে নেওয়া যায় না।’ এই ধরনা কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষকেও শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: বেহালায় নজিরবিহীন উৎসব, রক্তদানের আলোয় উজ্জ্বল দৃষ্টিহীনের বিয়ে]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং