সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আলিপুর কম্যান্ড হাসপাতালে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের চিকিৎসায় আপাতত নেই কোনও বাধা। সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত নয় এমন কারোর চিকিৎসায় আপত্তি জানিয়েছিল আলিপুর কম্যান্ড হাসপাতাল। কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে বৃহস্পতিবার আর্জিতে সায় দেয়নি আদালত। তার ফলে প্রয়োজনে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত কম্যান্ড হাসপাতালেই ধৃত মন্ত্রীর চিকিৎসা করা যাবে।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি মধুরেশ প্রসাদের এজলাসে এই মামলাটির শুনানি হয়। তাতে আদালতের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ইডির বক্তব্য না শুনে কম্যান্ড হাসপাতালের আর্জির পরিপ্রেক্ষিতে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়। আগামী ৮ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি। ওই দিনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপাতত সপ্তাহখানেক আলিপুর কম্যান্ড হাসপাতালে করা যেতে পারে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর চিকিৎসা।
[আরও পড়ুন: রোগীকে নার্সিংহোমে পাঠালে ব্যবস্থা, সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র নিয়ে নির্দেশ রাজ্যের]
উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতি মামলায় গত ২৭ অক্টোবর ইডির হাতে গ্রেপ্তার হন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শুনানি চলাকালীন এজলাসে অসুস্থও হয়ে পড়েন তিনি। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রীকে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসার পর বর্তমানে তিনি ইডি হেফাজতে। ইতিমধ্যে আলিপুর কম্যান্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়। হাসপাতালের তরফে জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসার বিরোধিতা করে। দাবি করা হয়, এই হাসপাতালে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্তদের চিকিৎসা করা হয়। সেক্ষেত্রে বাইরে থেকে রোগী আসা মানে বাড়তি চাপ। চিকিৎসায় সমস্যা হয়। যাতে ওই চাপ নিতে না হয় সে কারণেই মামলা করা হয়। তবে এই আর্জিতে সায় দেয়নি আদালত।
[আরও পড়ুন: আগামী ৮ মাস দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে চলবে না পণ্যবাহী ভারী গাড়ি, জেনে নিন বিকল্প রুট]
সর্বশেষ খবর
-
তিন ওভার, হাতে এক উইকেট! অজি বোলিং বিক্রম সামলে নাটকীয় টেস্ট ড্র ভারতের তরুণ তুর্কিদের
-
‘দর্শক আমার ছবি ব্লকবাস্টার করবে’, পুজো রিলিজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সৃজিত
-
উপনির্বাচনের আগেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে হুমায়ুন? রেজিনগরে নয়া সমীকরণ!
-
গান্ধীজয়ন্তীতে মহাচমক! বাপুকে স্মরণ করে ‘জাতির জনক’ অবতারে এলেন মনোজ বাজপেয়ী
-
সোশাল মিডিয়ায় জাত তুলে গালি, তফসিলি জাতি-উপজাতি আইনে বিচার হবে, রায় কলকাতা হাই কোর্টের