৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

করোনার কামড় এবার পার্ক সার্কাসের শিশু হাসপাতালে, একসঙ্গে ১২ জন নার্স আক্রান্ত

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: May 5, 2020 5:46 pm|    Updated: May 5, 2020 5:48 pm

An Images

গৌতম ব্রহ্ম: পার্ক সার্কাসের শিশু হাসপাতালেও করোনার থাবা। সূত্রের খবর, সেখানকার ১২ জন নার্স করোনায় আক্রান্ত। তাঁদের সবাইকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। যার জেরে শিশু হাসপাতালের ওই বিল্ডিংটি আপাতত বন্ধ করে স্যানিটাইজেশনের কাজ শুরু হয়েছে। হাসপাতালের অন্যান্যদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়িয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা হবে। তবে কর্তৃপক্ষের আশ্বাস, রোগীরা সকলেই নিরাপদে রয়েছেন। এ বিষয়ে যথেষ্ট যত্নশীল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

করোনা রোগীদের চিকিৎসা করতে গিয়ে ইতিমধ্যে বহু চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা COVID-19এ সংক্রমিত হয়েছেন। কলকাতার বেশ কয়েকটি হাসপাতালে ঘটেছে এই ঘটনা। এবার পার্ক সার্কাসের শিশু হাসপাতালেও থাবা বসাল করোনা ভাইরাস। হাসপাতালের NICU ওয়ার্ডে কর্মরত ১২ জন নার্স একসঙ্গে করোনা পজিটিভ। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্ক দেখা দেয় রোগীর অভিভাবকদের মধ্যে। কারণ, এই হাসপাতালে একমাত্র ছোটদের চিকিৎসাই হয়। সদ্যোজাত থেকে শুরু করে শৈশবের মধ্যে থাকা রোগীরাই এখানে ভরতি। ফলে তাদের মধ্যে সংক্রমণ অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে তীব্র আশঙ্কা দেখা দেয় অভিভাবক মহলে। তবে তাঁদের আশ্বস্ত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সঙ্গে সঙ্গে NICU ওয়ার্ডে নতুন করে রোগী ভরতি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

[আরও পড়ুন: দু’বেলা খাবারের মেনুতে ভিটামিনও, বাঘ-সিংহদের করোনামুক্ত রাখতে নয়া চার্ট আলিপুরে]

হাসপাতাল সূত্রে খবর, আক্রান্ত নার্সরা সকলেই রেসিডেন্সিয়াল। তাঁরা হাসপাতালের হস্টেলে থেকেই এখানে কাজ করেন। কীভাবে আচমকা এতজনের শরীরে COVID-19 সংক্রমণ হল, তার উৎস খুঁজে পাচ্ছেন না চিকিৎসকরা। জানিয়েছেন হাসপাতালের অধিকর্তা। তবে এই NICU ওয়ার্ডটি আলাদা বিল্ডিংয়ে, তাই সেখান থেকে হাসপাতালের অন্যত্র সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। ওই নার্সরা আর কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁদেরও স্বাস্থ্যপরীক্ষা, কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। তবে কলকাতার এই শিশু হাসপাতালের উপর নির্ভরশীল অনেকেই, বিশেষত পরিবারের ছোট সদস্যরা। তাই সেখানে নতুন করে রোগী দেখা আপাতত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চিন্তার ভাঁজ অভিভাবকদের কপালে।

[আরও পড়ুন: যোগব্যায়াম ও হোমিওপ্যাথিকে হাতিয়ার করেই করোনা যুদ্ধে অবতীর্ণ কলকাতা পুলিশ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement