ধীমান রক্ষিত: পুজোর আগেই হাসি ফুটছে চাকরিপ্রার্থীদের মুখে। উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের জন্য আগেই প্যানেল প্রকাশিত হয়েছে। বুধবার তা প্রকাশ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, শূন্যপদের সংখ্যা ১৪,৩৩৯। তবে হাই কোর্টের নির্দেশে বুধবার ১৪ হাজার ৫২ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আর শুক্রবার নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও একধাপ এগিয়ে দেওয়ার জন্য কাউন্সেলিংয়ের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হল। পুজোর আগেই শুরু হচ্ছে কাউন্সেলিং। আগামী ৩ অক্টোবর থেকে কাউন্সেলিং হবে। পুজোর আগে দুদিন হবে কাউন্সেলিং। তার পর আবার অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে।
এদিন স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, ৩ ও ৪ অক্টোবর অর্থাৎ পুজোর আগে দুদিন হবে কাউন্সেলিং। তার পর আবার পুজোর পর চার দিন হবে কাউন্সেলিং – ২৪,২৫, ২৮ ও ২৯ অক্টোবর। তার পর শুরু হবে নিয়োগ প্রক্রিয়া। কাউন্সেলিংয়ে অংশগ্রহণকারী যোগ্য প্রার্থীদের বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগ করা হবে। তবে ১৪,০৫২ জনকে নিয়োগের পরও শূন্যপদ থাকবে। কারণ মোট শূন্যপদের সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৩৯।
২০১৬ সালে উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজার ৩৩৯টি শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল রাজ্য সরকার। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মেধাতালিকা প্রকাশ হলে দেখা যায় তাতে রয়েছে ১৪ হাজার ৫২ জনের নাম। কিন্তু সেই বিস্তর বেনিয়মের অভিযোগে সেই নিয়োগ আটকে যায় মামলা জটে। এর পর ২০২১ সালে এসএসসি জানায় ১ হাজার ৪৬৩ জনকে মেধা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই বাদ পড়া পরীক্ষার্থীরা একাধিক মামলা করেন হাই কোর্টে। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্ট জানিয়েছিল, ওই ১৪৬৩ জনকে যে প্রক্রিয়ায় বাদ দেওয়া হয়েছিল, তা ঠিক ছিল না। হাই কোর্ট জানিয়ে দেয়, বাদ দেওয়া ১ হাজার ৪৬৩ জনকে নিয়ে ১৪ হাজার ৫২ জনের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। শুধু তাই নয়, সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছিল উচ্চ আদালত। সেই ডেডলাইনের মধ্যেই বুধবার প্যানেল প্রকাশ করে এসএসসি।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের পাঁচ মাসেই পথ হারাল টিম ইন্ডিয়া! আয়ারল্যান্ডের পর ইংল্যান্ডের কাছেও সিরিজ হার শ্রেয়সদের
-
মহারাষ্ট্রে ফের বিরোধী শিবিরে ভাঙন! পওয়ারের ‘অস্থিরচিত্ত’ বিধায়কদের ‘সন্দেহ’ কংগ্রেসের
-
১৬ বছর পর কলকাতা পেল মহিলা ওসি, একসঙ্গে রদবদল ৩৩ ইন্সপেক্টরের
-
খেয়াল রাখতে হবে অভিযোগকারিণীর মানসিক দিকটিও, লালবাজারে বিশেষ প্রশিক্ষণ ১৮৩ মহিলা পুলিশকে
-
ইথানলের মিশ্রণে গাড়ির ক্ষতি না হওয়ার দাবি, গড়করিকে পালটা ‘চ্যালেঞ্জ’ সমাজকর্মীদের