Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মায়ের চালচিত্র সাজবে দৃষ্টিহীনদের সৃষ্টিতে, অভিনব উদ্যোগ জয়রামপুর সর্বজনীনের

দুগ্গা ঠাকুরের সঙ্গে এবছর দৃষ্টিহীনদের অন্তর্দৃষ্টি দেখবে পুজোপ্রেমী বাঙালি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ১৫:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ১৫:৩৬

options
link
মায়ের চালচিত্র সাজবে দৃষ্টিহীনদের সৃষ্টিতে, অভিনব উদ্যোগ জয়রামপুর সর্বজনীনের zoom

বিশাখা পাল: পুজো আসছে। আর মাস দুয়েক পড়েই ঢাকে পড়বে কাঠি। কিন্তু কুমোরটুলি ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে আসরে নেমে পড়েছে। শিল্পীরাও তাঁদের ভাবনায় শান দিচ্ছেন। কীভাবে মৃন্ময়ীরূপী চিন্ময়ীকে সাজিয়ে তোলা যায়, ভাবছেন। কিছু কিছু জায়গায় খুঁটিপুজো হয়ে গিয়েছে। কিছু জায়গায় আবার দিন কয়েকের মধ্যেই তা হয়ে যাবে। এমনই এক জায়গা জয়রামপুর সর্বজনীনের দুর্গোৎসব। ৪ আগস্ট এখানকার খুঁটিপুজো। আর সেদিনই সর্বসমক্ষে উঠে আসবে অন্তর্দৃষ্টির সারকথা।

এবছর এই পুজো সাজানোর দায়িত্ব নিয়েছেন শিল্পী উপাসনা চট্টোপাধ্যায়। রবিবার তাঁর সংস্থা ‘রোদ্দুর’-এর তরফে কিছু দৃষ্টিহীন মানুষ উপস্থিত থাকবেন অনুষ্ঠানে। তাঁদের শিল্পীসত্তাকে জনসমক্ষে পরিচিত করতেই এই উদ্যোগ। ‘রোদ্দুর’ মূলত সমাজের চ্যালেঞ্জড মানুষের একটি সংগঠন। মানসিক বা শারীরিক দিক থেকে যাঁরা সমাজের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেন না, তাঁদের একত্রিত করার কাজ করছে ‘রোদ্দুর’। তাই শুধু শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে অনেকেই ভাবিত। কিন্তু মানসিক প্রতিবন্ধীরা অনেক সময়েই ব্রাত্য থেকে যান। ‘রোদ্দুর’ এঁদের সবাইকে নিয়েই কাজ করে। তবে দুর্গাপুজোর কাজে সবাই থাকছেন না। থাকছেন শুধু দৃষ্টিহীনরা।  

Advertisement

শিল্পী জানিয়েছেন, এই অনুষ্ঠানে দৃষ্টিহীনদের আনার পিছনে একটি উল্লেখযোগ্য কারণ আছে। দৃষ্টিহীন মানে পৃথিবীর আলো থেকে তাঁরা বঞ্চিত। কিন্তু আর পাঁচটা মানুষের মতো তাঁদেরও তো মন আছে। মনের দৃষ্টি আছে। সেখানে তো আর আঁধার নেই। বরং আলো সেখানে অনেক বেশি। আমাদের মতো ‘সব পেয়েছি’ শরীরের মানুষের থেকে দৃষ্টিহীনদের গহীন হৃদয় অনেক বেশি আলোকিত। সেই আলোকে তৈরি হয় শিল্প। ‘আর্ট’ রয়েছে সেখানেও। সেটাই তাঁদের হাতের মাধ্যমে বাহ্যিক জগৎকে দেখানোর চেষ্টা করতে চান উপাসনা ও তাঁর টিম। তাই এমন উদ্যোগ।

[ আরও পড়ুন: ছাত্রদের চুলের ছাঁট দেখে চক্ষু চড়কগাছ, নাপিতদের চিঠি প্রধান শিক্ষকের ]

কুলোর উপর দড়ি দিয়ে নিজের ভাবনা ফুটিয়ে তুলবেন দৃষ্টিহীনরা। তাঁদের সেই সৃষ্টি ধারণ করবেন উমা। জয়রামপুর সর্বজনীনের দুর্গাপুজোয় এই কুলোগুলি দিয়েই সেজে উঠবে মায়ের চালচিত্র। শিল্পী জানিয়েছেন, দৃষ্টিহীনদের অন্তর্দৃষ্টি থেকে জন্ম নিতে পারে অনেক অবাক করা সৃষ্টি। অনেক সময় সেই সৃষ্টির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয় মানুষ, কখনও আবার তাঁদের ভাবনা মানুষকে ভাবাতে বাধ্য করে। সেসসব নিয়েই তিনি এবছর তুলে ধরতে চান।

শনিবার জয়রামপুর সর্বজনীনের ব্যানার উদ্বোধন হল। এবছর এদের থিমের নাম ‘দেবী’। আবহ সংগীতের দায়িত্বে সিধু। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে সংবর্ধনা দিতে উপস্থিত ছিলেন ‘রোদ্দুর’-এর শিল্পীরা।

[ আরও পড়ুন: ‘দরকার হলেই ফোন করুন’, ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির জোর প্রচার সাংসদ মিমির ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.