শুভঙ্কর বসু: নির্বাচনের আগে স্বস্তিতে নন্দীগ্রাম (Nandigram) জমি আন্দোলন মামলায় অভিযুক্ত আবু তাহের-সহ ১৪ জন। জমি আন্দোলন মামলায় ৫ এপ্রিল পর্যন্ত তাঁদের গ্রেপ্তার করা যাবে না বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্টের (Kolkata High Court) ডিভিশন বেঞ্চ। এই মামলায় স্থিতাবস্থা জারি করেছেন বিচারপতিরা। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, ৫ এপ্রিল পর্যন্ত এই মামলায় যারা জেলে রয়েছে তারা যেমন জামিন পাবে না, তেমনই যারা বাইরে রয়েছে তাদের গ্রেপ্তার করা যাবে না। স্বাভাবিকভাবেই এই রায়ে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগে স্বস্তিতে তৃণমূল।
২০১১ সালে, তৎকালীন বাম সরকারের আমলে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ে শেখ সুফিয়ান, আবু তাহের (Abu Thaer)-সহ এলাকার কয়েকজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়। সরকারপক্ষের তরফে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সম্প্রতি নন্দীগ্রামে জমি আন্দোলনকারীদের উপর থেকে মামলা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছিল বর্তমান রাজ্য সরকার। রাজ্যের এই সিদ্ধান্তের পালটা হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা হয়। এরপরই হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নতুন করে নন্দীগ্রাম জমি মামলা চালুর নির্দেশ দেয়। হলদিয়া আদালত শুনানিতে অভিযুক্তদের জামিন নাকচ করে গ্রেপ্তারির নির্দেশ দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বুধবার কলকাতা হাই কোর্টে গিয়েছিলেন আবু তাহেররা। বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁরা।
[আরও পড়ুন : ‘বিজেপির বিরুদ্ধে একত্রিত হোন’, একযোগে ১৫ জন বিরোধী নেতাকে চিঠি মমতার]
প্রথমে তাঁদের আবেদন মামলা গ্রহণ করেনি হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। উলটে আবেদনকারীদের ৭ এপ্রিল আদালতের নিয়মিত বেঞ্চে আবেদন করতে বলা হয়। ফলে নন্দীগ্রামের নির্বাচনের আগেই তাঁদের গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। যদিও পরে দুই বিচারপতি ৫ এপ্রিল পর্যন্ত এই মামলায় স্থিতাবস্থা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত তাঁদের গ্রেপ্তার করা যাবে না।
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়