Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

দলের রাজ্য ও জেলার পদাধিকারীদের লোকসভায় টিকিট দেবে না বিজেপি

প্রার্থী হওয়ার জন্য বহু আবেদন জমা পড়েছে, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৮, ২১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৮, ২১:৩৮

options
link
দলের রাজ্য ও জেলার পদাধিকারীদের লোকসভায় টিকিট দেবে না বিজেপি zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় : লোকসভা নির্বাচনে দলের রাজ্য ও জেলায় সাংগঠনিক পদে যে সব নেতারা রয়েছেন তাঁরা টিকিট পাবেন না। বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে দলের সাংগঠনিক বৈঠকে এমনটাই স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চেয়ে ইতিমধ্যেই বহু আবেদনপত্র জমা পড়ছে রাজ্য দপ্তরে। সূত্রের খবর, রাজ্য ও জেলা কমিটির অনেক পদাধিকারীও নির্বাচনে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক। এদিন দলের সব জেলা সভাপতিদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এমনটাই জানালেন বিজয়বর্গীয়।

[হাই কোর্টের রথযাত্রা রায়কে চ্যালেঞ্জ, ডিভিশন বেঞ্চে যাচ্ছে রাজ্য]

বিশেষ করে জেলা সভাপতি, রাজ্য ও জেলা সাধারণ সম্পাদকদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য। লোকসভায় দলের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও রাজ্য বা জেলা পদাধিকারীরা বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হতে পারেন বলেও এদিন জানিয়ে দেন তিনি। একই সঙ্গে রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বকে সতর্ক করে দিয়েছেন বিজয়বর্গীয়। বলেছেন, জেলা সভাপতি, জেলার পর্যবেক্ষক ও পালক সকলের মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। এ নিয়ে যদি কোনও অভিযোগ আসে তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এদিন বৈঠকে কৈলাস ছাড়াও ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ, অরবিন্দ মেনন, সুরেশ পূজারি, রাহুল সিনহা-সহ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, সুব্রত চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ শীর্ষ নেতারা।

Advertisement

[পাঁচ রাজ্যের ফলে ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি, স্বীকার করলেন দিলীপ]

মূলত বুথভিত্তিক সংগঠন নিয়েই আলোচনা হয়েছে। সংগঠনের বিভিন্ন স্তর ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি অনেক নেতা-কর্মীরাই বুঝতে পারছেন না বলে এদিন বৈঠকে মন্তব্য করেন এক শীর্ষ নেতা। সংগঠনের দায়িত্বে থাকা এক নেতাকে ওই শীর্ষ নেতা বলেন, ৭৭ হাজার বুথের মধ্যে ৪৭ হাজার বুথে পর্যাপ্ত লোক আছে। বাকি বুথগুলি দুর্বল। এদিকে, সম্প্রতি পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফলে বিজেপির পরাজয়ের ধাক্কা যে বাংলায় দলের কর্মীদের মধ্যেও পড়েছে, তা এদিন স্বীকার করে নেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, পাঁচ রাজ্যের ভোটের ফলাফলে কর্মীরা হতাশ হয়েছেন। হতাশ হওয়ার কোনও জায়গা নেই। মন শক্ত করতে হবে। দিলীপ ঘোষের দাবি, ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এমন ফল করবে সকলকে চমকে দেবে। জেলা নেতাদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন আদালত দিয়ে জেতা যায় না। ভোটে জিততে হলে মাঠে নামতে হবে। আমরা দেশের আদালতে গিয়েছি। আবার জনতার আদালতেও লড়াই করছি। দিলীপ ঘোষের দাবি, রাজ্যে পার্টি এগোচ্ছে। আরামবাগ, ঘাটাল, কেশপুরের মতো জায়গাতেও বিজেপির প্রতি মানুষের উৎসাহ বাড়ছে। এদিন মূলত জেলা সভাপতি ও পর্যবেক্ষকদের চাঙ্গা করতে চেয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.