Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Cadre rules amendment proposal

কেন্দ্রের প্রস্তাবিত ‘ক্যাডার রুলস’ সংশোধনীর প্রতিবাদ জানিয়ে মোদিকে দ্বিতীয় চিঠি মমতার

সংশোধনী প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ইতিমধ্যে চিঠি দিয়েছিল রাজ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২২, ২২:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২২, ২২:১৮

options
link
কেন্দ্রের প্রস্তাবিত ‘ক্যাডার রুলস’ সংশোধনীর প্রতিবাদ জানিয়ে মোদিকে দ্বিতীয় চিঠি মমতার zoom

মলয় কুণ্ডু: সর্বভারতীয় স্তরের আমলাদের নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণের নিয়ম ‘ক্যাডারস রুল’-এ বদল আনতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাদের সেই সংশোধনীর প্রতিবাদ জানিয়ে গত ১৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Narendra Modi) চিঠি লিখেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (WB CM Mamata Banerjee)। কিন্তু এর মধ্যেই কেন্দ্রের তরফে এই সংশোধনী প্রস্তাবকে আরও কঠোর করা হয়। নিয়মের নয়া রদবদলকে ‘দানবীয়’ বলে উল্লেখ করে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিতীয়বার চিঠি লিখলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। জানালেন, “কেন্দ্রের এই সংশোধনী প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী।”

১৯৫৪ সালের আইএএস (ক্যাডার) রুলসের সংশোধনের প্রস্তাব এনেছে কেন্দ্র।আইন অনুযায়ী আইএএস (IAS) বা আইপিএস (IPS)-সহ সর্বভারতীয়স্তরের আমলাদের নিয়ন্ত্রণের রাশ কেন্দ্র ও রাজ্যের পারস্পরিক মত আদানপ্রদানের ভিত্তিতেই স্থির হয়ে থাকে। রাজ্য প্রশাসনের অভিযোগ, আইন সংশোধন করে আমলাদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখার পথেই হাঁটতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই সংশোধন হলে আমলাদের রাজ্যে নিয়োগ, কোন পদের দায়িত্বে তিনি যাবেন, এমন সব বিষয় কেন্দ্রই ঠিক করে দেবে। সেখানে রাজ্যের মতামতের প্রায় কোনও গুরুত্বই আর থাকবে না। এতদিন পর্যন্ত আমলা কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকলে তার রাশ কেন্দ্রের হাতে এবং রাজ্যে থাকলে তা নিয়ন্ত্রিত হয় রাজ্যের প্রশাসনিক কাজের উপর। কিন্তু সংশোধিত আইনে রাজ্যের ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই সংশোধনী প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ইতিমধ্যে চিঠি দিয়েছে রাজ্য।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ওষুধের দোকান থেকে এবার আপনিও কিনতে পারবেন করোনার জোড়া ভ্যাকসিন! মিলল প্রাথমিক ছাড়পত্র]

এদিকে আবার এই সংশোধনী প্রস্তাবে আরও কিছু রদবদল ঘটায় মোদি সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর লেখা চিঠিতে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রের নয়া সংশোধনী অনুযায়ী, রাজ্যে কর্মরত যে কোনও আইএস, আইপিএস-সহ যে কোনও কেন্দ্রীয় আমলাকে যে কোনও সময় দেশের যে কোনও প্রান্তে বদলি করতে পারবে কেন্দ্রীয় সরকার। এক্ষেত্রের রাজ্যের অনুমতির প্রয়োজন নেই। রাজ্য সরকার ‘রিলিজ’ না দিলে কেন্দ্রের হাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে। মোদি সরকারের এই সংশোধনী প্রস্তাবর আমলাদের মধ্যে ভীতি ও অস্থিরতা তৈরি করবে বলে মনে করছেন মমতা বন্দ্যোাপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, এই সংশোধনী কার্যকর হলে আমলাদের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হবে যা তাঁদের কাজে প্রভাব ফেলবে। রাজ্যের প্রতি আর তাঁদের আনুগত্য থাকবে না।”

মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র এই সংশোধনীকে আইনে পরিণত করলে কেন্দ্র-রাজ্যের সম্পর্ক আরও জটিল হবে। কেন্দ্রে যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, তারা নিজেদেপ মতো করে এই আইনকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলি মতপ্রকাশের ক্ষমতা হারাবে।” তাই আরও একবার এই সংশোধনী প্রস্তাব বাতিলের দাবি জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

[আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক অশান্তির জেরে গ্রাম ছাড়ছে হিন্দুরা! খাস বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে চাঞ্চল্য]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.