বিক্রম রায়, কোচবিহার: পেটের টানে কোচবিহার থেকে দিল্লিতে কাজ করতে যান অনেকেই। তাঁদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নথিপত্র পরীক্ষায় কোচবিহারে দিল্লি পুলিশ। জেলা পুলিশকে না জানিয়ে নথিপত্র পরীক্ষা চলছে বলেই দাবি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নতুন বছরের প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকে এই ইস্যুতে পুলিশকে দুষলেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার কোচবিহারে হানা দেয় দিল্লি পুলিশ। দিনহাটার ২ নম্বর ব্লকের নাজিরহাট ১, ২ এবং সাহেবগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় দিল্লি পুলিশ ক্যাম্প করে। দিল্লিতে যাঁরা পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতে যান, তাঁদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখা হয়। পরিযায়ী শ্রমিকদের দাবি, বাংলাদেশ নাকি বাংলার বাসিন্দা, সে সম্পর্কে তথ্য জানতে কমপক্ষে তিন প্রজন্মের কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে সাবেক ছিটমহলের বাসিন্দারা বেজায় বিপাকে পড়েছেন। আতঙ্কে দিন কাটছে তাঁদের।
আর তাতেই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নের প্রশাসনিক বৈঠকে তিনি বলেন, “আমি সব জেলাশাসককে বলছি, যদি বাইরের রাজ্য থেকে কোনও পুলিশ আসে তদন্তের স্বার্থে তাহলে রাজ্য পুলিশকে না জানিয়ে তারা যেন কোথাও যেতে না পারে। আগে ডিজির নজরে আনুন। পরিযায়ী শ্রমিকের কার্ড থাকা সত্ত্বেও দিল্লি পুলিশ এসে খোঁজখবর করছে? এটা স্থানীয় পুলিশকে না জানিয়ে কীভাবে করতে পারে? জেলাশাসক, জেলার পুলিশ সুপাররা কী করছেন?” বলে রাখা ভালো, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য জব কার্ড চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা সত্ত্বেও দিল্লি পুলিশের নজরদারিকে যে মোটেও ভালো চোখে দেখছেন না মুখ্যমন্ত্রী, প্রশাসনিক বৈঠকে তা স্পষ্ট করে দেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গে জলস্রোতে ভেসে, ধস নেমে মৃত ৭, এখনও ভিতরে আটকে ৩ শ্রমিক
-
ফ্ল্যাট কেনার শখ, বাবার থেকে ২ লক্ষ টানা নেন এনআরএসের মৃত নার্স! মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সুবিচার চাইছে পরিবার
-
‘দেশু ৭’-এর প্রতিযোগী একেনবাবু! ‘কেরালায় কুরুক্ষেত্র’র প্রাক্কালে চরিত্রদের প্রথম ঝলক
-
ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফর এখনও সম্ভব! ঢাকা-নয়াদিল্লি টানাপোড়েনের মধ্যেই ইঙ্গিত বোর্ডের
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর