Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
OBC case

OBC মামলা: কোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিয়োগ কেন? হাই কোর্টের প্রশ্নের মুখে ‘ভুল’ মানলেন মুখ্যসচিব

যে সব বিভাগ কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, সেইসব অফিসারদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৫, ১৭:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৫, ১৭:০৫

options
link
OBC মামলা: কোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিয়োগ কেন? হাই কোর্টের প্রশ্নের মুখে ‘ভুল’ মানলেন মুখ্যসচিব zoom
ফাইল ছবি।

গোবিন্দ রায়: কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে শুরু হয়েছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া। এ নিয়ে বুধবার আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়লেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। সঙ্গে সঙ্গে নিজের ভুল স্বীকার করে নেন মুখ্যসচিব। বলেন, “আর ভুল হবে না।” তবে যে সব বিভাগ কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, সেইসব অফিসারদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। কী পদক্ষেপ করা হল, ২ এপ্রিল মুখ্যসচিবকে হলফনামা দিয়ে আদালতকে জানাতে হবে, নির্দেশ বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও রাজশেখর মন্থর ডিভিশন বেঞ্চের।

কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ওবিসি শংসাপত্র ব্যবহার করে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে গিয়েছে রাজ্য সরকার। এরপরই আদালত অবমাননার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। বুধবার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও রাজশেখর মন্থর ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি ছিল। আজ মুখ্যসচিবকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশ মেনে ভারচুয়ালি আদালতে হাজিরা দেন মনোজ পন্থ।

Advertisement

শুনানিতে মুখ্যসচিবকে বিচারপতির প্রশ্ন, “কোর্টে আপনারা বারবার আশ্বাস দেওয়ার পরেও কি করে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে? মুখ্য সচিবের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই সেখানে?” উত্তরে মনোজ পন্থ বলেন, “আমরা আদালতের নির্দেশ সব বিভাগে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। তারপরে কিছু বুঝতে মিসটেক হয়েছিল। তবে আর কোনও সংশয় নেই। মামলার নিষ্পত্তি হওয়ার আগে আর নিয়োগ হবে না।” মুখ্যসচিবের জবাবে সন্তুষ্ট হয়নি আদালত। বিচারপতিদের পালটা প্রশ্ন, “তারপরেও কী করে ১০টা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি হয়? আপনি রাজ্যের মাথায় বসে থাকার পরেও আপনার অধস্তনরা আপনার কথা শুনছে না! এটা আমাদের কাছে যন্ত্রণার।”

একইসঙ্গে তাঁদের প্রশ্ন, “সরকারি আইনজীবী এখানে একাধিক হলফনামা দিয়ে আশ্বাস দিয়েছেন, অথচ রাজ্য সরকার তাঁর পাশে নেই! যদি কেউ আপনাদের নির্দেশ না মানে তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেবেন না? অন্তত সেই অফিসারদের ডেকে নির্দেশ না মানার জন্য তাঁদের থেকে কেন ব্যাখ্যা চাইবেন না? অন্তত এইটুকু করুক সরকার।” জবাবে ভুল স্বীকার করে মুখ্যসচিব জানান, “আমরা পদক্ষেপ করব।” এদিন বিচারপতিরা স্পষ্ট করে দেন যে তাঁরা নিয়োগ বন্ধ করতে বলেননি। ২০১০ সালের আগের পদ্ধতিতে নিয়োগে আদালতের আপত্তি নেই।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.