গৌতম ব্রহ্ম: বকেয়া ডিএ’র দাবিতে সপ্তাহের শুরুতেই দু’দিন কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিলেন সরকারি কর্মীদের সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। তা সত্ত্বেও সরকারি অফিসগুলিতে উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৯৫ শতাংশ। সুতরাং কর্মবিরতিতে সেভাবে সমর্থন মেলেনি। তবে আন্দোলনের পথ থেকে সরছেন না সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। আগামী ১০ মার্চ ধর্মঘটের সিদ্ধান্তে অনড়। মুখ্যসচিবের কাছে সেই মর্মে চিঠিও জমা দিয়েছেন তাঁরা।
বকেয়া ডিএ’র দাবিতে জোরদার আন্দোলন চালাচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের যৌথ মঞ্চ। সোম ও মঙ্গলবার তাঁরা কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিল। তাদের সেই কর্মবিরতি রুখতে কড়া পদক্ষেপ করেছিল রাজ্য সরকার। যৌথমঞ্চের অভিযোগ, তাঁদের আন্দোলন ভাঙতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় হামলা হয়েছে। তবু তাঁদের মনোবলে চিড় ধরানো যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা নতুন করে আগামী ১০ মার্চ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ধর্মঘটে আদৌ সাড়া মেলে কিনা, সেটাই এখন দেখার।

[আরও পড়ুন: মাঝ আকাশ থেকে আচমকা মাঠে হেলিকপ্টার! জলপাইগুড়িতে জোর শোরগোল]
উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে স্যাটে ২০১৬ সালে মামলা দায়ের করে কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্মেন্ট এমপ্লয়িজ। আবেদনে বলা ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৩৪ শতাংশ হারে ডিএ পান। পশ্চিমবঙ্গ সরকার মাঝে ডিএ বাড়ালেও কেন্দ্রের তুলনায় রাজ্যের কর্মীরা ৩১ শতাংশ কম পান। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে SAT-এর রায়ই বহাল রাখে হাই কোর্ট। কিন্তু সেই রায়ের পরেও মেলেনি ডিএ। এই মামলার জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্টেও। মামলা থেকে সরে দাঁড়ান বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। আগামী ১৫ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানি। ওইদিন ঠিক কী রায় দেয় আদালত, সেদিকেই তাকিয়ে সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীরা।
[আরও পড়ুন: ‘আমাদের নাম কেন সিবিআই-ইডিকে?’, জেলে কুন্তলকে কড়া ধমক পার্থ-মানিকের]
সর্বশেষ খবর
-
অফিস ফিরতি সময়ে মেট্রো বিভ্রাট, চরম ভোগান্তির শিকার যাতায়াতকারীরা
-
অগভীর সুইমিং পুলে এই ভুল ডাইভ কাড়তে পারে জীবন, কী বলছেন চিকিৎসকেরা
-
একাধিক জন্ম তারিখ, তুমুল বিতর্কে ভারতীয় দলে ডাক পাওয়া ‘বাংলার’ দুই
-
দু’মাসের মধ্যেই বিজয়ের সরকার ফেলার চেষ্টা! বিধায়ক পিছু ‘অফার’ ৩৫ কোটি টাকার
-
নেশাই কাড়ল প্রাণ! বাইকে চড়ে বেড়াতে গিয়ে নেপালে পথের বলি বাংলার যুবক