Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬

বনধ বিরোধীদের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগ তৃণমূলের, শহরে মোতায়েন বাড়তি পুলিশ

পরিবহণে ব্যবস্থা সচল রাখতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮, ২০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮, ২০:১৭

options
link
বনধ বিরোধীদের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগ তৃণমূলের, শহরে মোতায়েন বাড়তি পুলিশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বনধ নয়৷ কাজের দিন নষ্ট নয়। কাজ না করে ঘরে বসে থাকার সময় অতীত। তাই শুধু প্রশাসনিক নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত হচ্ছে না তৃণমূল সরকার। আগামিকাল, বুধবার পথে নেমে বনধের প্রতিবাদ করবে রাজ্যের শাসকদল। জেলায় জেলায় সেজন্য স্ট্রিট কর্নার চলছে। প্রচার চলছে বনধ বিরোধিতার। সেই একই আবেদন রেখে কাল সকাল থেকে আবার পথে নামবে তৃণমূল। হবে পথসভা, মিছিল। পথে থাকবে বাড়তি পুলিশ। নজর রাখা হবে নবান্ন থেকেও। সেজন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে নবান্নে। পরিবহণ দপ্তর অন্যদিনের তুলনায় বাড়তি বাস ও জলপথে পরিবহণের ব্যবস্থা করেছে।

[ইসলামপুর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি, হাই কোর্টে মামলা এবিভিপি-র]

ইসলামপুরে দুই ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে বিজেপি রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ানোর চক্রান্ত করছে বলে প্রথমেই সুর চড়িয়েছিল তৃণমূল। তার মোকাবিলাও তারা রাজনৈতিকভাবে করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে শাসকদল। মন্ত্রীগোষ্ঠীর বৈঠকের পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বনধে গরহাজিরা বরদাস্ত করা হবে না। ইতিমধ্যে কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। আজ আগাম ছুটি নেওয়া থাকলেও বনধের দিন অবশ্যই হাজিরা দিতে হবে। নবান্নের অর্থ দপ্তরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সেদিন অর্ধদিবস ছুটিও নেওয়া যাবে না। গরহাজিরদের বেতন কাটা যাবে, কর্মদিবস থেকেও বাদ যাবে একটি দিন। সরকারি স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা যাবে না বলে সোমবারই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছেও স্কুল খোলা রাখার আবেদন করেছে তারা। বেসরকারি পরিবহণ সংগঠনগুলির কাছেও আবেদন করেছে গাড়ি চালানোর।

Advertisement

[বনধে অশান্তি হলে দায় নিতে হবে প্রশাসনকে, আগাম হুঁশিয়ারি দিলীপের]

বনধে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়-সহ যেখানে পরীক্ষা চলছে, সেখানে নির্বিঘ্নে যাতে ছাত্রছাত্রীরা পৌঁছতে পারে, তার জন্যও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিবহণ দপ্তর বিমার ব্যবস্থা করেছে। মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, বাস মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা আগুন লাগানো হলে ৬ লক্ষ টাকা অবধি ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। রাজ্যের পরিবহণ নিগম সাধারণ দিনে ২১৫০টি বাস চালায়, তবে বুধবার চলবে ২৬০০টি বাস৷ থাকবে ৫০-৬০টি ভেসেল। পশ্চিমবঙ্গ পরিবহণ নিগমের ২৫, উত্তরবঙ্গ নিগমের ৪৫, দক্ষিণবঙ্গ নিগমের ১৯টি ডিপোয় বাড়তি বাস থাকবে। ভোর পাঁচটা থেকেই সরকারি বাস সব জেলার রাস্তায় নামবে। জেলাগুলিতে আলাদা করে কন্ট্রোল রুম খোলা হচ্ছে। পরিবহণ দপ্তরের মূল কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর, ০৩৩—২৪৪২০২৭৮। কোথাও বাস না পেলে, পরিবহণ নিয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে সরাসরি এই নম্বরে ফোন করা যাবে বলে শুভেন্দু জানিয়েছেন। তৃণমূল সাংসদ ইদ্রিশ আলি বিজেপির ডাকা বনধকে বেআইনি ঘোষণা করার দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন। আগামিকাল সকালেই সেই মামলার শুনানি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.