Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

রাজ্য কি জাতীয় শিক্ষানীতি গ্রহণ করেছে? বিধানসভায় জবাব দিলেন ব্রাত্য বসু

শিক্ষানীতি নিয়ে বিধানসভায় প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৩, ১২:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৩, ১২:৩০

options
link
রাজ্য কি জাতীয় শিক্ষানীতি গ্রহণ করেছে? বিধানসভায় জবাব দিলেন ব্রাত্য বসু zoom

নব্যেন্দু হাজরা: কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP 2020) কি গ্রহণ করেছে রাজ্য? বিধানসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের প্রশ্নের উত্তর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য় বসু। জানালেন, কেন্দ্রে জাতীয় শিক্ষানীতি রাজ্য সরকার মেনে নিয়েছে, এটা একটি ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে রাজ্য়ের তরফে নতুন শিক্ষানীতি তৈরি করা হয়েছে।

দেশজুড়ে জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর কেন্দ্র। এই নীতি নিয়ে রাজ্যের বিস্তর আপত্তি রয়েছে। তারপরেও চলতি শিক্ষাবর্ষে স্নাতক কোর্সের মেয়াদ বাড়িয়ে ৪ বছর করা হয়েছে। স্নাতকস্তরের পাঠ্যক্রমে বেশকিছু বদল হয়েছে। যা দেখে শিক্ষামহলের একাংশের দাবি ছিল, রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতি মেনে নিয়েছে। কিন্তু সেই অভিযোগ মানতে নারাজ রাজ্য সরকার। এদিন বিধানসভায় এনিয়ে প্রশ্ন তোলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ৫ আগস্ট পথেই TMC, ৮ ঘণ্টার বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দলের]

জবাবে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি মানা হয়নি। রাজ্য সরকার মেনে নিয়েছে, এটা একটি ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে। স্নাতকস্তরের মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে তিনি আরও বলেন, রাজ্যের কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ডিগ্রি কোর্সের মেয়াদ তিন বছর থেকে বাড়িয়ে চার বছর করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর আরও দাবি, এটা না করলে ৭ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে সমস্যা হত। একাধিক ইস্যুতে জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে রাজ্যের আপত্তি আছে।

[আরও পড়ুন: কলকাতায় বড়সড় পাচারচক্রের হদিশ, আনন্দপুরে শিশু চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.