নতুন সরকারের আমলে দুই নতুন শিক্ষামন্ত্রী পেয়েছেন রাজ্যবাসী। বঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থায় নয়া মোড় আসতে চলেছে। পরিবর্তনের পথে স্কুল-কলেজের পাঠ্যসূচি। আর সেই পাঠক্রম বদল নিয়ে আজ, পশ্চিমবঙ্গ দিবসে শুভেন্দু অধিকারী সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ আর্জি তুললেন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় (Tapas Roy)। তাঁর আবেদন, স্কুলের পাঠ্যবইয়ে এবার ঢোকানো হোক ‘হিন্দু নিধনে’র ইতিহাস। স্কুলের পড়ুয়ারা জানুক বঙ্গের সেই বিস্মৃত রক্তাক্ত ইতিহাস। একই আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যের আরেক মন্ত্রী শংকর ঘোষ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও।
বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে তাপস রায়ের বক্তব্য, ‘‘সুরাবর্দিকে শুধু হিন্দুরা নয়, শিক্ষিত মুসলমানরাও তাঁকে গুন্ডাদের সর্দার বলতেন। সেই সুরাবর্দির নির্দেশে নিষ্ক্রিয় পুলিশ ১০ হাজারের বেশি মানুষকে কলকাতার রাস্তায় খুন করা হয়েছিল। তারপরই শুরু হয়েছিল ঢাকা, নোয়াখালিতে হিন্দু নিধন। এই ইতিহাস কিন্তু আমাদের পড়ানো হয় না। ইতিহাসে এসব নেই। মাননীয় অধ্যক্ষের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, আমাদের নতুন প্রজন্মের স্কুলের সিলেবাসে এগুলো যেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়।”
আরও পড়ুন:
শনিবার, ২০ জুন রাজ্যে প্রথম সরকারি উদ্যোগে পালিত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস। এদিন বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে তাপস রায়ের বক্তব্য, ‘‘সুরাবর্দিকে শুধু হিন্দুরা নয়, শিক্ষিত মুসলমানরাও তাঁকে গুন্ডাদের সর্দার বলতেন। সেই সুরাবর্দির নির্দেশে নিষ্ক্রিয় পুলিশ ১০ হাজারের বেশি মানুষকে কলকাতার রাস্তায় খুন করা হয়েছিল। তারপরই শুরু হয়েছিল ঢাকা, নোয়াখালিতে হিন্দু নিধন। এই ইতিহাস কিন্তু আমাদের পড়ানো হয় না। ইতিহাসে এসব নেই। মাননীয় অধ্যক্ষের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, আমাদের নতুন প্রজন্মের স্কুলের সিলেবাসে এগুলো যেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়।”
সুকান্ত মজুমদারের কথায়, ‘‘ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে এই সুকান্ত আজ হয়তো আন্দামানে বা মধ্যপ্রদেশে বা উত্তরপ্রদেশের পিলভিটে উদ্বাস্তু বাঙালি হিসেবে কাউন্সিলরের বেশি কিছু হতে পারতাম না। আমরা কেউ মন্ত্রী, সান্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতাম না, যদি না শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ দিয়ে না যেতেন। আজ সেই মহান পুরুষকে, তাঁর ইতিহাসকে সকলের কাছে অজ্ঞাত করে দেওয়া হয়েছে, স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে, মুছে ফেলা হয়েছে। আমরা চাই, সেই ইতিহাসকে সকলের সামনে আনা হোক। আমরা সিংহভাগ জানতাম না যে পশ্চিমবঙ্গ কীভাবে তৈরি হয়েছে। কোথাও ইতিহাস বইয়ে রাখা পর্যন্ত হয়নি।”
এরপরই পাঠ্যবইয়ে এই সংক্রান্ত একটি অধ্যায় রাখার দাবি তোলেন সাংসদ। বলেন, “শুভেন্দুবাবুর নেতৃত্বে যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার গঠন হয়েছে, আমি বিজেপির কর্মী হিসেবে সরকারের কাছে আবেদন জানাব, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের পাঠ্যবইয়ে, এই পশ্চিমবঙ্গ নির্মাণে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের যে ভূমিকা ও অন্যান্যদের যে ভূমিকা রয়েছে, সেই ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে অন্তত একটা চ্যাপ্টার হিসেবে পড়ানো উচিত, সিলেবাসে রাখা উচিত।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
থাকতে চাইছে না কেউ! দলের শৃঙ্খলারক্ষায় অরূপ, ফিরহাদের জায়গায় এবার কাদের দায়িত্ব দিলেন মমতা?
-
সীমানা পেরিয়ে প্রসেনজিৎ, যিশু শুভশ্রী সোহিনীর বিচিত্র ‘অভিমান’ কতটা উপভোগ করল দর্শক?
-
দিঘার সৈকতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, স্পিডবোটের আঘাতে ছিন্নভিন্ন শরীর, মৃত্যু পর্যটকের
-
উদয়ন গুহের স্ত্রীকে খাবার পৌঁছানোর ‘অপরাধ’! এবার ডিম খেলেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা
-
‘পাকিস্তানকে এফএটিএফের ধূসর তালিকায় ঢোকান’, সংস্থায় দিল্লির শক্তিবৃদ্ধিতে মোদিকে প্রস্তাব ওয়েইসির