২৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের রেশ কাটতেই ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ। শেষ কয়েকদিনে ভোর ও রাতের দিকে অনুভব করা যাচ্ছে শীতের শিরশিরানি। হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, আগামী কয়েকদিন কলকাতা ও আশেপাশের অঞ্চলগুলির তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ২০ ডিগ্রির আশেপাশে। অন্যান্য জেলাগুলিতে তাপমাত্রার পারদ নামতে ১৫ ডিগ্রিতে। তবে খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যে প্রবেশ ঘটবে শীতের। 

কিছুদিন আগেই শহরে হিমের পরশ লেগেছে। ঘুম ভাঙতেই হালকা কুয়াশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে চারিপাশে। সকালের দিকে হালকা রোদে পিঠ সেঁকতে বেশ ভালই লাগছে শীতবিলাসীদের। তাই জাঁকিয়ে শীতের অপেক্ষায় ছিল তাঁরা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, শীঘ্রই তাঁদের অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। আর মাত্র কয়েকদিনে অপেক্ষা। আগামী চার থেকে পাঁচদিনের মধ্যে অনেকটাই কমতে পারে দেশের উত্তর-পশ্চিম অংশের রাজ্যগুলির তাপমাত্রা। সেক্ষেত্রে শীতল উত্তর-পশ্চিমা বাতাস প্রবেশ করবে এরাজ্যেও। ফলে শীঘ্রই রাজ্যে শীতের আগমন ঘটবে বলেই মনে করা হচ্ছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, নতুন করে কোনও ঘূর্ণাবর্ত তৈরি না হওয়ার কারণে আগামী কয়েকদিন রোদ ঝলমলে থাকবে আকাশ। তবে জাঁকিয়ে শীত প্রবেশের আগে আপাতত কয়েকদিন সারাদিনের দুই বেলায় আরামদায়ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। ভোর ও রাতে অনুভূত হবে হালকা শীত। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রার পারদ চড়বে। এমনকি বজায় থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও। তার ফলে বেলার দিকে বাড়ি থেকে বেরোলে হালকা গরম অনুভব হতে পারে।

[আরও পড়ুন: রাজ্য মন্ত্রিসভায় গুরুত্ব বাড়ল সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের, দায়িত্ব ফিরে পেলেন দপ্তরহীন ২ মন্ত্রী]

মাঝ নভেম্বরেও প্রবল শীতের অনুপস্থিতিতে হাঁফিয়ে উঠেছিলেন শীতবিলাসিরা। হাওয়া অফিসের এই খবর হাসি ফুটিয়েছে তাঁদের মুখে। সূত্রের খবর, রবিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে রাতের দিকে তাপমাত্রার পারদ নেমেছিল ২০ এর কোটায়।

[আরও পড়ুন: দুষ্কৃতীদের টাগের্ট ‘বাংলার রূপকার’, বিধানচন্দ্র রায়ের মূর্তি ভাঙচুরে উত্তপ্ত দুর্গাপুর]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং