Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
West Bengal Assembly Election 2026

দফা কমানোর ভাবনা কমিশনের! নববর্ষের আগেই বিধানসভা ভোট শেষ করতে চায় দিল্লি

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাও সম্প্রতি কলকাতায় এসে এমন ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ১৩:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ১৩:৪৭

options
link
দফা কমানোর ভাবনা কমিশনের! নববর্ষের আগেই বিধানসভা ভোট শেষ করতে চায় দিল্লি zoom
ফাইল ছবি

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: বাংলা নববর্ষের আগেই বাংলায় ভোটপ্রক্রিয়া শেষ করতে চায় দিল্লি। সূত্রের খবর, এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় নির্দেশও দিয়ে রেখেছে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। তার দু’-তিনদিনের মধ্যেই ভোট বিজ্ঞপ্তি ঘোষণা করে দিতে পারে দিল্লির নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে বাংলা নববর্ষের মধ্যেই ভোটপ্রক্রিয়া শেষ করতে পারবে কমিশন।

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাও সম্প্রতি কলকাতায় এসে ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন যে, বাংলা নতুন বছরে বাংলায় নতুন সরকার উপহার দিতে চায় দিল্লি। সেই প্রেক্ষিতে গুঞ্জন আরও বেড়েছে। এর মধ্যেই আজ, সোমবার দিল্লিতে বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন।

Advertisement

কেরল, তামিলনাডু, মধ্যপ্রদেশ বা গুজরাতের মতো রাজ্যে সম্ভব হলে বাংলায় নয় কেন। তাই পাঁচ, ছয় অথবা সাত দফায় নয়। বাংলাতেও এক থেকে তিন দফায় ভোট করাতে প্রস্তুতি শুরু করল নির্বাচন কমিশন। তবে সবটাই নির্ভর করছে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যাবে কি না তার উপর। সে ক্ষেত্রে খুব বেশি হলে চার দফায় ভোট করানো যেতে পারে।

সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে আজ। বৈঠকে বসছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, কেন্দ্রীয় বাহিনীর শীর্ষ কর্তা ও রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক। ভোট প্রক্রিয়া চলাকালীন কত পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যাবে তার হিসাব করতেই খাতা-কলম নিয়ে বসছেন শীর্ষকর্তারা। তবে এর পিছনে বিজেপির কিছু কৌশল রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

‘২১ সালে করোনাকালে রাজ্যে সাত দফায় ভোট করায় কমিশন। সেই সময় ব্যাপক সমালোচনা মুখেও পড়তে হয় কমিশনকে। সাত দফায় ভোট করেও অশান্তি ঠেকানো যায়নি। তাই এবার অনেক আগেভাগেই ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি শুরু করে দিচ্ছে কমিশন। এসআইআর পর্বের মাঝেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে বৈঠকে বসছেন নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তারা।

সূত্রের খবর, মার্চের প্রথম সপ্তাহের শেষে অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহের প্রথমে নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) নির্ঘণ্ট প্রকাশ করা হতে পারে। আর এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করতে চাইছে কমিশন। তবে এবার দীর্ঘ সময় ধরে ভোট গ্রহণপর্ব নয়। বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর যেহেতু ভোটার সংখ্যা অনেকটাই কমে যাবে, তাই এক থেকে তিন দফার মধ্যে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ করতে চাইছে কমিশন।

কমিশনের এক শীর্ষ কর্তা জানান, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনী পেলে তিন দফাতেই শেষ করা হবে। আর যদি পর্যাপ্তর তুলনায় একটু কম পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে ৪ দফায় ভোট গ্রহণ হতে পারে। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। তার মতে, অতীতে দেখা গিয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে ভোট গ্রহণপর্ব চললে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে ক্লান্তি দেখা দেয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কিনে নেওয়ার চেষ্টা করে। এরকম বেশ কিছু উদাহরণ তাদের হাতে রয়েছে বলে জানান।

তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্তর পিছনে বিজেপির কৌশলগত কারণ রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভোটগ্রহণ পর্ব দীর্ঘ সময় ধরে চললে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি প্রচারের জন্য অনেক সময় পেয়ে যায়। আঞ্চলিক দলগুলি এক্ষেত্রে অনেকটাই সুবিধা পায়। কারণ স্থানীয় ইস্যুকে প্রচারে আনা ছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থা বুঝে প্রচারের কৌশল বদল করতে পারে। আর বিজেপির ভরসা যেহেতু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহর মতো দিল্লির নেতারা তাই সেই সুযোগ
পায় না গেরুয়া শিবিরে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.