ভোট বড় বালাই! এবার সেই শব্দের ঝংকারে ফের সাড়া ফেলছে ‘জোটে’র কথা! কে কাকে হারাবেন, কীভাবে হারাবেন, বিধানসভা দখলে কে কী করবেন, গুচ্ছ গুচ্ছ জল্পনার অন্দরেই ‘শূন্য’ কলসিতে বিপদ ঢালছে ভাগাভাগির কথা! সেই আবহেই খোঁজ মিলেছে বাংলার কংগ্রেস নেতাদের। বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) আগে তাঁরা হাইকমান্ডকে জানিয়ে দিয়েছেন, কর্মীরা চাইছেন ২৯৪ আসনে একাই লড়ুক কংগ্রেস! অর্থাৎ একবার তৃণমূল, একবার বাম-নওশাদ নয়, সাংগঠনিক শক্তি নিয়েই একা লড়তে পারবে কংগ্রেস! রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) এবং মল্লিকার্জুন খাড়্গেদের একথা জানিয়ে দিয়েছেন, এমন বার্তা দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এবং প্রাক্তন সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী।
একবার বাম-নওশাদ নয়, সাংগঠনিক শক্তি নিয়েই একা লড়তে পারবে কংগ্রেস! রাহুল গান্ধী এবং মল্লিকার্জুন খাড়্গেদের একথা জানিয়ে দিয়েছেন, এমন বার্তা দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এবং প্রাক্তন সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী।
আরও পড়ুন:
কিন্তু কংগ্রেসের এমন বার্তার কথা শুনতেই কেমন যেন বেসুরো গাইছেন তাঁদের প্রাক্তন জোটসঙ্গীরা। যদিও রাজ্য বিধানসভায় বসে তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জানিয়ে দিয়েছেন, ‘কংগ্রেস আলাদা দল, ওঁরা ওঁদের কথা তো বলবেনই, এতে অসুবিধার কী রয়েছে!’ যদিও এই বিষয়ে ২০২১-র জোটসঙ্গী আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকি বলছেন, ‘আমি এখনও আশা করব জাতীয় কংগ্রেস এই জোটে আসুক। তৃণমূল-বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য, কিন্তু যদি না আসে তাহলে বাংলার মানুষ তাদের কীভাবে গ্রহণ করবে, সেটা বাংলার মানুষের উপর নির্ভর করছে।’
আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকি বলছেন, ‘আমি এখনও আশা করব জাতীয় কংগ্রেস এই জোটে আসুক। তৃণমূল-বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য, কিন্তু যদি না আসে তাহলে বাংলার মানুষ তাদের কীভাবে গ্রহণ করবে, সেটা বাংলার মানুষের উপর নির্ভর করছে।’
এই প্রসঙ্গে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিমের দাবি, ‘বিজেপি এবং তৃণমূল সম্পর্কে অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। বাংলা বাঁচাতে হলে সবাইকে একসঙ্গে আসতে হবে। কংগ্রেস ঠিক করবে তাদের অবস্থান কী হবে। আমরা সবার সঙ্গে কথা বলছি। আমাদের যখন বলেছে,নিচের তলার কংগ্রেস কর্মীরা ঠিক করবে, আমরা বলেছি নিচের তলার কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে কথা বলব, কোনও অহমিকা নেই।’
প্রসঙ্গত, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন যত এগোচ্ছে ঠিক ততই তীব্র হচ্ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে জোট অথবা আসন রফার কথা। কিন্তু এই আবহেই দিল্লিতে প্রদেশ কংগ্রেসের নেতাদের এমন বার্তা বা দরবার, তৃণমূলের নির্বাচনী সুবিধা বৃদ্ধি করল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের। এখন দেখার এই বার্তা মেনেই একা চলার পথেই এগোন কিনা অধীর-শুভঙ্করের প্রদেশ কংগ্রেস!
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নিজের নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিলেন মমতা! এবার এনআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ‘মাছ চোর’ শওকত
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ
-
‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ?
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’
নিবেদিত


