১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বরফ গলছে সম্পর্কের, কালীপুজোর আমন্ত্রণ পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি যাচ্ছেন রাজ্যপাল

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: October 26, 2019 1:20 pm|    Updated: October 26, 2019 1:20 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আসন্ন আলোর উৎসবে রাজ্যের সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রধানের মধ্যে বরফশীতল সম্পর্ক কি তাহলে গলছে? সাম্প্রতিক ঘটনাবলিতে ইঙ্গিত কিন্তু তেমনই। কালীপুজোর দিন নিজের বাড়ির পুজোয় রাজ্যপালকে আমন্ত্রণ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। আমন্ত্রণপত্র পেয়ে আপ্লুত রাজ্যপাল জগদীর ধনকড়। আগামী রবিবার তিনি সস্ত্রীক পৌঁছে যাবেন মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে, রাজভবন সূত্রে ইঙ্গিত এমনই।
রাজভবন-নবান্নের মধ্যে যে খুব একটা সুসম্পর্ক কোনওদিনই ছিল না, সচেতন নাগরিক মাত্রই তা জানা। সেই গোপালকৃষ্ণ গান্ধী থেকে শুরু করে আজকের জগদীপ ধনকড়, রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য প্রশাসন তথা মুখ্যমন্ত্রীর একাধিকবার মতানৈক্যের ঘটনা সামনে এসেছে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। নবান্নের সঙ্গে নতুন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়েরও তেমন সুসম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। তবে রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে জগদীপ
ধনকড় নিজেই অনেক ব্যাপারে উদ্যোগ নিচ্ছেন। জোর দিচ্ছেন জনসংযোগে।

[ আরও পড়ুন: রোজভ্যালি কাণ্ডে দময়ন্তী সেনকে সিবিআই তলব, কথা বলতে চেয়ে চিঠি]

সূত্রের খবর, আগামী মঙ্গলবার, ভাইফোঁটার মতো পবিত্র দিনকে সামনে রেখে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি যাওয়া ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়েছিলেন, ওই পবিত্র দিনকে সামনে রেখেই উভয়ের সম্পর্ককে সুন্দর করে তুলতে আগ্রহী তিনি।মুখ্যমন্ত্রীও সৌজন্য বজায় রেখেছেন। ভাইফোঁটায় নয়, তার আগেই তিনি সস্ত্রীক রাজ্যপালকে নিমন্ত্রণ করেছেন নিজের বাড়িতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের
বাড়িতে বরাবর কালীপুজো হয়। তাতে আমন্ত্রিত থাকেন অনেকেই। এবছর তিনি বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় ও তাঁর স্ত্রীকে। সেই আমন্ত্রণ পেয়ে খুশি রাজ্যপালের প্রতিক্রিয়া, ‘উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে মুখ্যমন্ত্রী আমাকে চিঠি পাঠিয়েছেন। তিনি আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে ২৭ অক্টোবর নিজের বাড়ির পুজোয় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাঁর ব্যক্তিগত আমন্ত্রণ পত্র পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ।’

[ আরও পড়ুন: হেমন্তের সকালেই শিরশিরানি, তবে কি পৌষের আগেই শীতের পরশ?]

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাবুল সুপ্রিয় হেনস্তার ঘটনা থেকে শুরু করে সম্প্রতি জেলা সফরে প্রশাসনিক বৈঠক – ধারাবাহিকভাবে বেশ কয়েকটি ঘটনাতেই রাজ্যপালের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট রাজ্য প্রশাসন। আবার প্রশাসনের কাজ নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেছেন রাজ্যপাল। ফলে খুব কম সময়ের মধ্যেই উভয়ের তিক্ততা বেড়েছে। তা দূর করতে রাজ্যপাল নিজেই এগিয়ে গিয়ে ভাইফোঁটায় মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি যেতে
চেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীও সৌজন্য রেখে সেই ডাকে সাড়া দিয়েছেন। এখন কালীপুজোকে সামনে রেখে সত্যিই উভয়ের মধ্যে সুসম্পর্ক দানা বাঁধে কি না, সেটাই দেখার।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement