Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
রেশন দুর্নীতি

করোনা সংকটে রেশন বন্টনে কারচুপির অভিযোগ, কলকাতা হাই কোর্টে পালটা রিপোর্ট পেশ রাজ্যের

"ডিলারদের লাইসেন্স বাতিল, জরিমানা, গ্রেপ্তার, সবই হয়েছে", রিপোর্ট দেখাল রাজ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২০, ২২:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২০, ২২:৩৫

options
link
করোনা সংকটে রেশন বন্টনে কারচুপির অভিযোগ, কলকাতা হাই কোর্টে পালটা রিপোর্ট পেশ রাজ্যের zoom
ফাইল ফটো

শুভঙ্কর বসু: এপ্রিল মাস থেকে এখনও পর্যন্ত ৬ কোটি ১ লক্ষ ৮৫ হাজার মানুষকে রেশনে খাদ্যসামগ্রী বিলি করেছে রাজ্য সরকার। মে মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত ৯.৯৫ কোটি ডিজিটাল রেশন কার্ড ও খাদ্যসামগ্রীর জন্য কুপন বিলি করা হয়েছে। পাশাপাশি রেশন নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য খাদ্যদপ্তর। দুর্নীতির অভিযোগে এখনও পর্যন্ত ৭৬জন রেশন ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ৪৮জন ডিলারকে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও আপাতত ৫৩টি এফআইআর করা হয়েছে। এবং ১৩ জন ডিলার এবং তাদের সঙ্গে যুক্ত আরও ৩২জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মোট ৫১৩জন ডিলারকে শোকজ করা হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টে রেশন দুর্নীতি মামলায় এই মর্মে পালটা রিপোর্ট জমা দিল রাজ্য সরকার।

করোনা সংকটের সময় সরকারের দাবি সত্ত্বেও রাজ্যের বহু মানুষ রেশনে খাদ্যসামগ্রী থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। শাসকদলের নেতাদের অঙ্গুলি হেলনে খাদ্যসামগ্রী বিলিবন্টন চলছে। নজরদারির অভাবে একদল অসাধু রেশন ডিলার খাদ্যসামগ্রী নিয়ে কালোবাজারি করছে। রাতের অন্ধকারে তা বিক্রি হয়ে যাচ্ছে অন্যত্র। এমন একাধিক অভিযোগকে সামনে রেখে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল। মামলাগুলিকে একত্র করে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জরুরী ভিত্তিতে শুনানি শুরু করে আদালত। এরপর অভিযোগের ভিত্তিতে ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (এফসিআই) ও রাজ্য খাদ্যদপ্তরের কাছে এই ব্যাপারে রিপোর্ট তলব করে ডিভিশন বেঞ্চ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা রুখতে মিলছে না পিপিই, অমিল ছুটিও, নার্সদের বিক্ষোভে কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে ধুন্ধুমার]

এফসিআই তাদের রিপোর্টে রাজ্যের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে জানায়, পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী পাঠানো হলেও রাজ্য তা ঠিকমতো বণ্টন করছে না। এফসিআইয়ের এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে শুক্রবার রাজ্য খাদ্যদপ্তরের যুগ্মসচিব অভিজিৎ মিত্র জানিয়েছেন, এই মহামারী পরিস্থিতিতে রাজ্যের সর্বত্র মানুষকে রেশনে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য তৎপরতার সঙ্গে কাজ করেছে খাদ্যদপ্তর। ডিজিটাল রেশন কার্ড বন্টনের পাশাপাশি আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রায় ৬ লক্ষ‌ ৬৫ হাজার কুপন বিলি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩.০১ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য সামগ্রী বিলি করা হয়ে গিয়েছে। আগামী ৩ মাসের জন্য ৯.০৩ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্যসামগ্রী বিলির লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। এছাড়াও খাদ্য দপ্তরের বিভিন্ন টোল ফ্রি নম্বরে অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন যুগ্মসচিব।

[আরও পড়ুন: আনলক ওয়ানেই খুলছে ঘোজাডাঙা সীমান্ত, সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে বাণিজ্য শুরুর সিদ্ধান্ত]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.