Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
CV Ananda Bose

‘অ-আ-ক-খ’ শিখবেন রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই হাতেখড়ি সরস্বতী পুজোয়

বাংলা শিখে রাজ্যের মানুষের সঙ্গে বাংলাতেই কথা বলতে চান রাজ্যপাল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৩, ০৯:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৩, ০৯:২৯

options
link
‘অ-আ-ক-খ’ শিখবেন রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই হাতেখড়ি সরস্বতী পুজোয় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘অ-আ-ক-খ’ শিখবেন রাজ্যের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেজন্য ঘটা করে হবে হাতেখড়িও। এবছর সরস্বতী পুজোয় বাংলা শিক্ষায় হাতেখড়ি হতে চলেছে রাজ্যের রাজ‌্যপালের। ২৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রাজভবনে ‘ইস্ট লনে’ বিকেল ৫টায় এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ‌্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন‌্যান‌্যরা। বুধবার রাজভবন (Rajbhavan) সূত্রে এ খবর জানানো হয়েছে।
রাজ‌্যপাল হিসেবে বাংলার দায়িত্ব নেওয়ার পরই সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) বাংলাভাষা নিয়ে তাঁর ইচ্ছা-উৎসাহর কথা জানিয়েছিলেন। বড়দিনে বাংলাভাষায় বই লেখার ইচ্ছেপ্রকাশও করেছিলেন রাজ‌্যপাল। সেদিন এক অনুষ্ঠানে রাজ‌্যপালকে বলতে শোনা গিয়েছিল, আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কাবুলিওয়ালা’ পড়েছি। ছোট্ট মিনির চরিত্রটা আজও আমার মনে দাগ কেটে আছে।

[আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে নোবেলজয়ীরা কী বলছেন? এজলাসে বসেই প্রশ্ন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের]

শুধু নিজের কথাই নয়, তাঁর পরিবারেরও যে বাংলাভাষার প্রতি আলাদা অনুরাগ আছে, সেকথাও বারবার শোনা গিয়েছে রাজ‌্যপালের মুখে। এমনকী, তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, আমি ‌‘মালওয়ালি’ হলেও মন থেকে একজন বাঙালি। রাজ্যপাল জানিয়েছেন, তাঁর বাবা নেতাজির প্রবল অনুগামী ছিলেন। সেকারণেই তাঁর এবং তাঁর ভাইবোনেদের নামের সঙ্গে বোস জুড়ে দেন তিনি। বস্তুত এরাজ্যের রাজ্যপাল হয়ে আসার আগেও কলকাতায় বেশ খানিকটা সময় কাটিয়ে গিয়েছেন তিনি। একটি ব্যাংকের কর্তা হিসাবে কলকাতায় ছিলেন। তখন থেকেই বাংলার সঙ্গে তাঁর একাত্মতা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ত্রিপুরা, মেঘালয় এবং নাগাল্যান্ডের ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করল কমিশন, গণনা ২ মার্চ]

সেই আনন্দ বোসের ২৬ তারিখ ‘হাতেখড়ি’। আসলে রাজ্যপাল ঠিক করেছেন, বাংলায় বই লিখবেন তিনি। রাজ্যের মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন ভাঙা ভাঙা বাংলাতেই। সেই শুভ উদ্যোগের সরকারি সূচনা হবে হাতেখড়ি দিয়েই। সেই হাতেখড়ির উৎসবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উপস্থিতিও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এর আগে জগদীপ ধনকড় রাজ্যের রাজ্যপাল থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্য সরকারের বিরোধ ছিল নিত্যনৈমিত্তিক। সেখানে সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সম্পর্ক যে অতীব মসৃণ সেটা বারবার বুঝিয়ে দিচ্ছে দু’পক্ষই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.