BREAKING NEWS

২৮ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

‘মুখ্যমন্ত্রী যেখানে বলবেন আলোচনায় রাজি আছি’, সংঘাতের মাঝে সমঝোতার সুর রাজ্যপালের

Published by: Sayani Sen |    Posted: December 6, 2019 12:04 pm|    Updated: December 6, 2019 12:04 pm

An Images

দীপঙ্কর মণ্ডল: ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে বৃহস্পতিবার বিধানভায় গিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাননি কেউই। তিন নম্বর গেট বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে দু’নম্বর গেট দিয়েই ভিতরে ঢুকেছিলেন তিনি। এরপর শুক্রবার আবারও বিধানসভায় রাজ্যপাল। তবে ঘটল না একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। পরিবর্তে প্রোটোকল মেনে তিন নম্বর গেট দিয়ে বিধানসভায় ঢুকলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল। জানানো হল তাঁকে অভ্যর্থনাও। প্রয়োজন হলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেন বলেও জানান তিনি। 

শুক্রবার বি আর আম্বেদকরের মৃত্যুবার্ষিকী। তাই তাঁকে সম্মান জানাতে সস্ত্রীক রাজ্যপাল এদিন বিধানসভায় আসেন। প্রোটোকল অনুযায়ী বিধানসভার ৩ নম্বর গেট দিয়ে ভিতরে ঢোকেন। রাজ্যপালকে স্বাগত জানান বিজেপি বিধায়করা। ছিলেন জোয়েল মুর্মু, স্বাধীন সরকার, সুজিত চক্রবর্তী-সহ আরও অনেকেই। বিধানসভায় ঢোকার সময় স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাজ্যপাল বলেন, “স্পিকার আমাকে কোনো নির্দেশ দেননি। দিতেও পারেন না। আমি বৃহস্পতিবার এসেছিলাম।  বি আর আম্বেদকরকে সম্মান জানানোর জন্য শুক্রবার আবার এসেছি।” এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যে কোনও সময় আলোচনায় বসতে রাজি আছেন বলেও জানান তিনি। রাজ্যপাল বলেন, “নবান্ন, রাজভবন কিংবা কালীঘাটের বাসভবন মুখ্যমন্ত্রী যেখানে বলবেন আমি সেখানেই আলোচনা করতে রাজি আছি। আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি।”

[আরও পড়ুন: পুনর্নির্মাণের সময় পালানোর চেষ্টা, এনকাউন্টারে খতম হায়দরাবাদ গণধর্ষণ কাণ্ডের ৪ অভিযুক্ত]

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিধানসভায় যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তবে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন না কেউই। বন্ধ ছিল তিন নম্বর গেট। তাই ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল বাধ্য হয়ে দু’নম্বর গেট দিয়েই বিধানসভার ভিতরে ঢোকেন। আমন্ত্রণ জানানোর পরেও কেন স্পিকার উপস্থিত নেই, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল। কেন বিধানসভার দরজা তালা বন্ধ রইল, তা নিয়েও সুর চড়ান তিনি। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই শুক্রবার আবারও বিধানসভায় রাজ্যপাল। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসারও প্রস্তাব দেন তিনি। রাজনৈতিক ওয়াকিবহালদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপাল সম্পর্ক কবে ভাল আর কবে খারাপ তা বোঝা কঠিন। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্য-রাজ্যপাল সম্পর্ক ক্রমশই তলানিতে ঠেকেছে। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত সংঘাত ভুলে আবারও কেন আলোচনায় বসতে চাইছেন রাজ্যপাল, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement