Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
West Bengal schools

রাজ্যের ৪ হাজারের বেশি স্কুল পড়ুয়াশূন্য! বহু স্কুলে মাত্র এক শিক্ষক, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সংস্থার

তৃণমূলের ১৫ বছরে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে কী পরিমাণ অব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল, সেটার জলজ্যান্ত উদাহরণ উঠে এল কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থার রিপোর্টে। সমস্যা সমাধানে কী উদ্যোগ, মুখ খুললেন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৭:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৭:০৩

options
link
রাজ্যের ৪ হাজারের বেশি স্কুল পড়ুয়াশূন্য! বহু স্কুলে মাত্র এক শিক্ষক, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সংস্থার zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

তৃণমূলের ১৫ বছরে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে কী পরিমাণ অব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল, সেটার জলজ্যান্ত উদাহরণ উঠে এল কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা Unified District Information System for Educ ation Plus (UDISE+)-এর রিপোর্টে। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলার ৪ হাজারের বেশি স্কুলে এই মুহূর্তে কোনও ছাত্রই নেই। আবার ৬ হাজার ৭৬৯টি স্কুলে পড়ুয়া প্রচুর। অথচ ওই স্কুলগুলিতে শিক্ষক সংখ্যা মাত্র একটি করে।

UDISE+র রিপোর্ট বলছে, বাংলার ৪১৩৩টি স্কুলে কোনও পড়ুয়াই নেই। অথচ ওই স্কুলগুলিতে ১৯ হাজার ৫০২ জন শিক্ষক চাকরি করেন। ওই চার হাজার ১৩৩টি স্কুলের মধ্যে অনেক স্কুলই বেসরকারি। কিছু স্কুল সরকারি। কেন এই বেনিয়ম? যে স্কুলে পড়ুয়াই নেই, সেই স্কুলে শিক্ষকের কী কাজ? স্কুলগুলি চালানোই বা হচ্ছে কেন? এ প্রশ্নের জবাবে রাজ্যের স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মণ বলছেন, “বহু বেসরকারি স্কুল সঠিকভাবে তথ্য আপলোড করেনি। শিক্ষকদের তথ্য দিয়ে দিয়েছে, পড়ুয়াদের তথ্য দেয়নি। তাই বহু স্কুলে পড়ুয়াদের সংখ্যা শূন্য দেখাচ্ছে। আমরা এই সমস্যা মেটানোর জন্য একটা কোনও ব্যাবস্থা করার চেষ্টা করছি।”

Advertisement

তবে সমস্যা শুধু ওই ৪১৩৩টি স্কুলে নয়। আরও অন্তত ৬ হাজার ৭৬৯টি স্কুল রয়েছে যেখানে মাত্র একজন করে শিক্ষক রয়েছেন। ওই স্কুলগুলিতে এখনও পাঠরত ২ লক্ষ ২৯ হাজার পড়ুয়া। অর্থাৎ বহু স্কুলে একজন শিক্ষকের ঘাড়েই শয়ে শয়ে পড়ুয়ার দায়িত্ব। এ প্রসঙ্গে দীপক বর্মণ বলছেন, “দেখুন ১৫ বছর দুর্নীতির জন্য কার্যত কোনও শিক্ষক নিয়োগই হয়নি। আমরা এখন গোটা সিস্টেমটা ঠিক করছি। আশা করি এ বছরের শেষ পর্যন্ত সমস্যা মিটবে।”

স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের বিন্যাসও বৈষম্যমূলক। বাংলার মোট ৯৩ হাজার ১৪৭টি স্কুলের মধ্যে ৮ শতাংশ স্কুলে পড়ুয়া সংখ্যা ১০ জনেরও কম। আবার ৮.৫ শতাংশ স্কুলে পড়ুয়াসংখ্যা পাঁচশোর বেশি। সব মিলিয়ে রীতিমতো বৈষম্যের ছবি। স্কুলশিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য, “সরকার এদিকেও নজর দিচ্ছে। যে সব স্কুলে অত্যাধিক শিক্ষক রয়েছেন, সেসব স্কুল থেকে কম শিক্ষক রয়েছেন এমন স্কুলে ট্রান্সফার করা হচ্ছে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.