সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতায় আজ হঠাৎ সন্ধে…। দিনদুপুরেই রাত নামল শহরে। বুধবার সকালে আচমকাই আকাশ কালো করে ঝেঁপে বৃষ্টি শহরে। টানা পৌনে একঘণ্টার বৃষ্টিতে শহরের রাস্তায় কোথাও কোথাও জল দাঁড়িয়েছে। আর এই অকাল বৃষ্টিতে তাপমাত্রা নেমেছে অনেকটা। উধাও বৈশাখী দাবদাহ।
চৈত্রের শেষ থেকে একটানা দাবদাহ চলছিল। পশ্চিমের জেলা থেকে শহর কলকাতা, গরমে নাজেহাল ছিল সকলেই। রীতিমতো তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়। এর মাঝেই সুখবর শোনায় আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। জানায়, সপ্তাহজুড়ে দুর্যোগ চলবে। সোমবার থেকেই হাওয়া বদল হয়। দক্ষিণবঙ্গজুড়ে কালবৈশাখীর দাপট চলছে।

আর তার জেরেই ভরা বৈশাখে আচমকা শীতল অনুভূতি। ঝড়বৃষ্টির জেরে মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একধাক্কায় নেমে যায় সাত ডিগ্রি। ছুঁয়ে ফেলে গত ২৮ বছরের রেকর্ড। এদিন শহরে এপ্রিল ছিল শীতলতম। সর্বনিম্ন পারদ নেমে যায় ১৯.২ ডিগ্রিতে। এর আগে ১৯৯৭ সালে এপ্রিলে শেষবার পারদ এত নিচে নেমেছিল বলে আবহাওয়া অফিস সূত্রে খবর। সোমবারও সর্বনিম্ন পারদ নেমে যায় ১৯.২ ডিগ্রিতে। ২০১৮ সালে ২৯ এপ্রিল সর্বনিম্ন পারদ নেমেছিল ১৯.৬।
রাতভর ঝড়বৃষ্টি চলে। কালবৈশাখীর জেরে জ্বালাপোড়া গরম থেকে স্বস্তি মেলে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি নিচে ছিল। সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাতে ঝড়বৃষ্টির পরই পারদ সাত ডিগ্রি নিচে নেমে যায়। সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও কমে দাঁড়ায় ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। বুধবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শনিবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত চলবে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়া থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমবে।
সর্বশেষ খবর
-
বিজেপি নেতার বাড়ির পাঁচিলে সাদা থান, গাঁদার মালা, হুমকি চিঠিতে লেখা, ‘সাবধান হয়ে যা, নইলে…!’
-
হাসিনায় সম্পর্কে কাঁটা, সেই বাংলাদেশের দাবিতে ১৯টি অত্যাধুনিক রেল কোচ পাঠাল ভারত!
-
পায়ে ব্যথা, অথচ সমস্যা লুকিয়ে কোমরে! সায়াটিকার লক্ষণ চিনবেন কীভাবে
-
রস্টারের চাপে ঘুম হয় না! গাঁজার সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খেয়ে বিমান চালাতে ওঠেন এয়ার ইন্ডিয়া পাইলট
-
এশিয়াডের আগে সাসপেন্ড টেবিল টেনিস ফেডারেশন, অন্ধকারে খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ