BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

CESC’র ব্যাখ্যায় অখুশি রাজ্য, নোটিস পাঠানোর ভাবনা ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের

Published by: Sayani Sen |    Posted: July 19, 2020 10:41 am|    Updated: July 19, 2020 10:41 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্রাতিরিক্ত বিল নিয়ে বিতর্কে CESC। রাজ্যের সঙ্গে চলছে চূড়ান্ত সংঘাত। গ্রাহকদের সমস্যা হবে এমন কাজ কিছুতেই বেসরকারি ওই বিদ্যুৎ সংস্থাকে করতে দেওয়া হবে না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। নবান্নের তরফে অ্যাডভাইজরি পাঠানোর ভাবনাচিন্তাও চলছে। শুধু তাই নয় সূত্রের খবর, এবার CESC-কে নোটিস পাঠাতে পারে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরও।

ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে বলেন, “লকডাউনের ফলে ঠিকমতো মিটার রিডিং নেওয়া হয়নি। তা সত্ত্বেও অতিরিক্ত বিলের বোঝা সাধারণ মানুষের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রতি মাসে যা বিল আসে, তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি বিল আসছে। একে লকডাউনে বেশিরভাগ মানুষের আয় কমেছে। তার উপর আবার মাত্রাতিরিক্ত বিলের বোঝায় নাজেহাল গ্রাহকরা।” তাই সূত্রের খবর, আগামিকাল অর্থাৎ সোমবার বেসরকারি ওই বিদ্যুৎ সংস্থাকে নোটিস পাঠাবে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর। এছাড়া ওইদিন CESC’র সদর দপ্তর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে বিক্ষোভ দেখাবে রাজ্যের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সংগঠন অ্যাবেকা।

[আরও পড়ুন: ‘কলকাতায় এখনও পর্যন্ত গোষ্ঠী সংক্রমণ হয়নি’, দাবি স্বরাষ্ট্র সচিবের]

আমফানের (Amphan) সময় শহরাঞ্চলের বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে গিয়ে প্রায় ‘ব্যর্থ’ হয়েছিল CESC। ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছিল আমজনতা। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও মাত্রাতিরিক্ত বিলের ঘটনা। যা থেকে রেহাই পাননি খোদ বিদ্যুৎমন্ত্রী থেকে অভিনেতারাও। শুক্রবার বিদ্যুৎমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন CESC’র দুই কর্তা। কেন এমন অস্বাভাবিক বিল আসছে, তার কারণও ব্যাখ্যা করেন তাঁরা।

CESC’র দাবি, করোনা সংক্রমণের জেরে মার্চ থেকে লকডাউন (Lockdown) জারি করা হয়। তার ফলে বেশ কয়েকমাস বন্ধ ছিল মিটার রিডিং নেওয়া। স্বাভাবিকভাবেই এপ্রিল ও মে মাসে অনুমানের ভিত্তিতে বাৎসরিক গড়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের নিরিখে বিল পাঠানো হয়েছে। তবে তা বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় অনেক কম। জুন থেকে ফের মিটার রিডিং শুরু হয়েছে। বাড়তি ইউনিট বিলে যুক্ত হয়েছে। তার উপর আবার গ্রীষ্মকালে বিদ্যুৎ খরচ হয় তুলনামূলক বেশি। তাই অতিরিক্ত বিল দেখে বিরক্ত হচ্ছেন গ্রাহকরা।

যদিও গ্রাহকদের দাবি, আগেও গ্রীষ্মকাল এসেছে। সেই সময় একইরকম বৈদ্যুতিন সামগ্রী ব্যবহার করেও এত বিল আসেনি। তাহলে চলতি বছর এত টাকা বিল আসছে কেন? তাই দফায় দফায় CESC’র বিভিন্ন দপ্তরে ভিড় জমিয়ে বিক্ষোভও দেখান গ্রাহকরা।

[আরও পড়ুন: ‘করোনা নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হবেন না’, দশটি যুক্তি ব্যাখ্যা করে পরামর্শ মুখ্যসচিবের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement