গোবিন্দ রায়: ধর্ষণে অভিযুক্তের স্ত্রী-ই মামলার সাক্ষী! পুলিশের তদন্তে অসন্তুষ্ট কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের। “এটা তদন্তের নামে প্রতারণা হচ্ছে”, মন্তব্য বিচারপতির।
ঘটনার সূত্রপাত গত আগস্টে। নদিয়ার এক তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। তা সত্ত্বেও পুলিশ কোনও কাজ করেনি বলেই অভিযোগ। নির্যাতিতার পরিবারের এক সদস্যের বিরুদ্ধে পালটা ধর্ষণের মামলাও দায়ের করে অভিযুক্তের পরিবার। সুবিচারের আশায় কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। শুক্রবারের শুনানিতে দেখা যায়, ধর্ষণে অভিযুক্তের স্ত্রী-ই মামলার সাক্ষী। পুলিশের বক্তব্য শুনে কার্যত বিস্মিত বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।
[আরও পড়ুন: বিয়ের দুদিন পর মনের কথা লিখলেন পিয়া, পোস্ট করলেন ‘সুখী’ গৃহকোণের ছবি]
গত আগস্টে ধর্ষণের মামলা দায়েরের পর তিন মাস কেটে গেলেও কেন নির্যাতিতার পোশাক বাজেয়াপ্ত করা হল না, প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। পুলিশের ভূমিকায় উষ্মাপ্রকাশ করেন বিচারপতি সেনগুপ্ত। তাঁর পর্যবেক্ষণ, “এটা তদন্তের নামে প্রতারণা হচ্ছে।” পরবর্তী শুনানির দিন কেস ডায়েরি নিয়ে তদন্তকারী আধিকারিককে আদালতে সশরীরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ বিচারপতির। আগামী ১৩ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।
[আরও পড়ুন: ‘এত সাহস হয় কী করে?’, বিজেপির বিধানসভা শুদ্ধিকরণে মার্শালকে বকা স্পিকারের]
সর্বশেষ খবর
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার
-
মুহূর্তে ‘জলরাক্ষস’ গ্রাস করল স্ত্রী-পুত্রকে! নেপালের ব্যবসায়ীর দু’চোখে এখনও আতঙ্ক ও বিষাদ
-
ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের
-
মহারাষ্ট্র পিএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ‘ফাঁস’! ব্যর্থ প্রেমকাহিনিতেই প্রকাশ্যে কেলেঙ্কারি