Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

দারিদ্র্য দূর করে রাজ্যবাসীর মুখে হাসি ফোটাতে পারে বিজেপিই, দাবি অমিত শাহর

গুজরাট, মহারাষ্ট্রের মতো হাসবে এই রাজ্যও, বললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৭, ১২:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৭, ১২:০৬

options
link
দারিদ্র্য দূর করে রাজ্যবাসীর মুখে হাসি ফোটাতে পারে বিজেপিই, দাবি অমিত শাহর zoom

স্টাফ রিপোর্টার: তিনদিনের রাজ্য সফরের শেষ মুহূর্তে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ অমিত শাহর৷ বৃহস্পতিবার রাজারহাটে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের প্রতি তাঁর বার্তা, বাংলায় পরিবর্তন আনতে পারে বিজেপি৷ “আবকি বার ভাজপা সরকার৷” বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির প্রতিশ্রুতি, এই রাজ্যের মতো দারিদ্র্য আর কোথাও নেই৷ একমাত্র বিজেপি ক্ষমতায় এলে তবেই হরিয়ানা, গুজরাট, মহারাষ্ট্রের মতো এই রাজ্যের বাসিন্দাদের মুখেও হাসি ফুটবে৷ স্বাস্থ্য, শিক্ষায় এগোবে বাংলা৷ দূর হবে দারিদ্র্য৷ এমনটা বিজেপিই করতে পারবে বলে দাবি করেছেন অমিত শাহ৷

এদিনের বৈঠক শেষে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি গিয়ে তাঁর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান অমিত শাহ৷ পরে দুপুরে যান নিউটাউনে৷ নিউটাউনের ২৩১ নম্বর বুথে কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন৷ দেখা করেন স্থানীয় মানুষের সঙ্গেও৷ সেখানেও রাজ্যের শাসকদলকে আক্রমণ করে বক্তব্য রাখেন তিনি৷ রাজ্য সফরের শেষ দিনে রাজারহাটের সুকান্তনগরে বুথ স্তরের কর্মীদের বাড়িতে যান তিনি। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আর এক প্রস্ত বৈঠক সেরে সন্ধ্যায় দিল্লি উড়ে যাওয়ার কথা৷ কলকাতাতে দাঁড়িয়েই প্রয়াত অভিনেতা বিনোদ খান্নার মৃত্যুতে গভীর শোকজ্ঞাপন করেছেন৷

Advertisement

গতকালই দু’দিনের সফরের শেষে বুথস্তরে টার্গেট ফিক্স করে দিয়ে দলে রাজ্যের পদাধিকারী ও জেলার পর্যবেক্ষকদের বার্তা দিয়েছিলেন শাহ৷ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, বুথস্তরে পৌঁছতে হবে৷ সংগঠন মজবুত করতে গেলে সেখান থেকেই বুথকর্মীদের ভিত তৈরি করতে হবে৷ আর সেই প্রস্তুতি যেন কোনও ফাঁক না থেকে যায়, তা নিশ্চিত করতে সংঘ পরিবারের সঙ্গে আজ সকাল থেকে ম্যারাথন বৈঠকে বসেন অমিত শাহ৷ যে বৈঠকে সঙ্গে ছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ-সহ একাধিক হিন্দু সংগঠন৷ বাংলায় সংগঠন মজবুত রাখতে এই দ্বিমুখী কৌশলই যে বিজেপির প্রধান অস্ত্র সেটাই বুঝিয়ে দিয়েছেন অমিত৷ একই সঙ্গে বলেছেন, বামফ্রন্ট-সহ অন্য সমস্ত দলের সক্রিয় নেতা-কর্মীদের দলে স্বাগত৷ তবে অবশ্যই সেই নেতাদের গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা করে তবেই রাজ্য নেতৃত্ব সবুজ সংকেত দেবে৷

রাজ্য নেতৃত্ব মনে করছে, বুথস্তর থেকে দলীয় সংগঠনকে মজবুত করার যে কাজ অমিত শাহ শুরু করেছেন, তার মনোবলে যাতে কোনওভাবে চিড় না ধরে সেই কাজও সেরে রাখতে চান সর্বভারতীয় সভাপতি৷ একের পর এক নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে রাজ্যে যে গেরুয়া ঝড় উঠছে, তা যাতে কোনওভাবে না থমকে যায়, সেই কাজ চলছে৷ ইতিমধ্যে একাধিক রিপোর্ট রাজ্য থেকে দিল্লি পৌঁছেছে৷ সেখানেই সংগঠন নিয়ে প্রাথমিক প্রস্তুতির কথা ছিল৷ রাজ্যে প্রস্তুতির জায়গা থেকে কর্মীদের মনোবল কতটা বেড়েছে, তা খুঁটিয়ে পরীক্ষা করেছেন অমিত শাহ৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.