স্টাফ রিপোর্টার: তিনদিনের রাজ্য সফরের শেষ মুহূর্তে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ অমিত শাহর৷ বৃহস্পতিবার রাজারহাটে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের প্রতি তাঁর বার্তা, বাংলায় পরিবর্তন আনতে পারে বিজেপি৷ “আবকি বার ভাজপা সরকার৷” বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির প্রতিশ্রুতি, এই রাজ্যের মতো দারিদ্র্য আর কোথাও নেই৷ একমাত্র বিজেপি ক্ষমতায় এলে তবেই হরিয়ানা, গুজরাট, মহারাষ্ট্রের মতো এই রাজ্যের বাসিন্দাদের মুখেও হাসি ফুটবে৷ স্বাস্থ্য, শিক্ষায় এগোবে বাংলা৷ দূর হবে দারিদ্র্য৷ এমনটা বিজেপিই করতে পারবে বলে দাবি করেছেন অমিত শাহ৷
এদিনের বৈঠক শেষে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি গিয়ে তাঁর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান অমিত শাহ৷ পরে দুপুরে যান নিউটাউনে৷ নিউটাউনের ২৩১ নম্বর বুথে কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন৷ দেখা করেন স্থানীয় মানুষের সঙ্গেও৷ সেখানেও রাজ্যের শাসকদলকে আক্রমণ করে বক্তব্য রাখেন তিনি৷ রাজ্য সফরের শেষ দিনে রাজারহাটের সুকান্তনগরে বুথ স্তরের কর্মীদের বাড়িতে যান তিনি। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আর এক প্রস্ত বৈঠক সেরে সন্ধ্যায় দিল্লি উড়ে যাওয়ার কথা৷ কলকাতাতে দাঁড়িয়েই প্রয়াত অভিনেতা বিনোদ খান্নার মৃত্যুতে গভীর শোকজ্ঞাপন করেছেন৷
গতকালই দু’দিনের সফরের শেষে বুথস্তরে টার্গেট ফিক্স করে দিয়ে দলে রাজ্যের পদাধিকারী ও জেলার পর্যবেক্ষকদের বার্তা দিয়েছিলেন শাহ৷ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, বুথস্তরে পৌঁছতে হবে৷ সংগঠন মজবুত করতে গেলে সেখান থেকেই বুথকর্মীদের ভিত তৈরি করতে হবে৷ আর সেই প্রস্তুতি যেন কোনও ফাঁক না থেকে যায়, তা নিশ্চিত করতে সংঘ পরিবারের সঙ্গে আজ সকাল থেকে ম্যারাথন বৈঠকে বসেন অমিত শাহ৷ যে বৈঠকে সঙ্গে ছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ-সহ একাধিক হিন্দু সংগঠন৷ বাংলায় সংগঠন মজবুত রাখতে এই দ্বিমুখী কৌশলই যে বিজেপির প্রধান অস্ত্র সেটাই বুঝিয়ে দিয়েছেন অমিত৷ একই সঙ্গে বলেছেন, বামফ্রন্ট-সহ অন্য সমস্ত দলের সক্রিয় নেতা-কর্মীদের দলে স্বাগত৷ তবে অবশ্যই সেই নেতাদের গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা করে তবেই রাজ্য নেতৃত্ব সবুজ সংকেত দেবে৷
রাজ্য নেতৃত্ব মনে করছে, বুথস্তর থেকে দলীয় সংগঠনকে মজবুত করার যে কাজ অমিত শাহ শুরু করেছেন, তার মনোবলে যাতে কোনওভাবে চিড় না ধরে সেই কাজও সেরে রাখতে চান সর্বভারতীয় সভাপতি৷ একের পর এক নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে রাজ্যে যে গেরুয়া ঝড় উঠছে, তা যাতে কোনওভাবে না থমকে যায়, সেই কাজ চলছে৷ ইতিমধ্যে একাধিক রিপোর্ট রাজ্য থেকে দিল্লি পৌঁছেছে৷ সেখানেই সংগঠন নিয়ে প্রাথমিক প্রস্তুতির কথা ছিল৷ রাজ্যে প্রস্তুতির জায়গা থেকে কর্মীদের মনোবল কতটা বেড়েছে, তা খুঁটিয়ে পরীক্ষা করেছেন অমিত শাহ৷
आज डॉ.श्यामा प्रसाद मुखर्जी जी के घर जाने का सौभाग्य प्राप्त हुआ,हम कार्यकर्ताओं के लिए यह मात्र एक घर नही बल्कि हमारी आस्था का केंद्र है। pic.twitter.com/H6UOkuvKFb
— Amit Shah (@AmitShah) April 27, 2017
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার