Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Kolkata

টানা বৃষ্টির জের, কলকাতায় বিপজ্জনক বাড়ির একাংশ ভেঙে মৃত্যু মহিলার

দুর্ঘটনার পর থেকে আতঙ্কে রয়েছেন বিপজ্জনক বাড়ির অন্যান্য় পরিবারগুলি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২১, ১৯:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২১, ১৯:৩৪

options
link
টানা বৃষ্টির জের, কলকাতায় বিপজ্জনক বাড়ির একাংশ ভেঙে মৃত্যু মহিলার zoom
ছবি: অরিজিৎ সাহা।

অর্ণব আইচ: বৃষ্টির বিপর্যয় এখনও কাটেনি। একটানা বৃষ্টির জেরে পুরনো, বিপজ্জনক বাড়ির একাংশ ভেঙে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল কলকাতায় (Kolkata)। কড়েয়া থানা এলাকার বন্ডেল রোডে রবিবার দুপুরে একটি বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে। বাড়ির ছাদের নিচেই দাঁড়িয়েছিলেন এক মহিলা। তাঁর উপরেই ভেঙে পড়ে বড়সড় চাঁই। কোনওক্রমে তাঁকে সেখান থেকে উদ্ধার করে এসএসকেএমে (SSKM) নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার দুপুর ২টো নাগাদ। কড়েয়া থানা এলাকার বন্ডেল রোডের এক পুরনো বাড়ির নিচে দাঁড়িয়েছিলেন মহিলা। তিনি ওই বাড়ির ভাড়াটে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। তাঁর নাম জসবিন্দর কউর। ওই সময়ে তিনি ঘরের মধ্যেই ছেলের জামা ইস্ত্রি করছিলেন। আচমকাই ছাদের একাংশ ভেঙে পড়ে ওই মহিলার উপর। তাতেই মৃত্যু হয় জসবিন্দরের। জানা গিয়েছে, এই বাড়ির একতলায় আরও ৭, ৮ টি পরিবার ভাড়া থাকে। এদিন এই ঘটনার পর সকলেই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: Kolkata-কে আরও সবুজ করার উদ্যোগ, Maidan-এ বৃক্ষরোপণ পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের]

কলকাতা শহরের বেশ কিছু বাড়িকে ‘বিপজ্জনক’ তকমা দিয়েছে পুরসভা। এসব বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরও দেখা গিয়েছে, কোনও কোনও বাড়িতে এখনও ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করেন মানুষজন। এঁরা বেশিরভাগই ভাড়াটে। বন্ডেল রোডের এই বাড়িও তেমনই একটি। আর টানা বৃষ্টিতে এখানেই নেমে এল বিপর্যয়। প্রাণহানিও ঘটল। বিষয়টি পুরসভার নজরে আসার পর এ নিয়ে তদন্ত হতে পারে।

[আরও পড়ুন: নিয়োগে অস্বচ্ছতার অভিযোগ, ব্রাত্য বসুর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ SSC চাকরিপ্রার্থীদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.