৪ আশ্বিন  ১৪২৮  মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

‘মোদির বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখতে চাই’, বলছেন TMC’র রাজ্যসভার প্রার্থী Jawhar Sircar

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: July 25, 2021 9:16 am|    Updated: July 25, 2021 9:16 am

'Would fight against suppression of human rights, communalism', Says TMC Rajya Sabha Candidate Jawhar Sircar | Sangbad Pratidin

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির একনায়কত্ব এবং সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখতে চান। করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রের ব্যর্থতা, অর্থনৈতিক দুর্গতি, বেকারত্বের জ্বালা নিয়ে সরব হতে চান। তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রার্থীপদ পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়া দিলেন জহর সরকার (Jawhar Sircar)। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) বিভিন্ন নীতির বিরোধিতা করে তিনি মেয়াদ ফুরনোর আগেই প্রসার ভারতীর অধিকর্তার পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। সেই প্রতিবাদ এবার সংসদের অন্দরেও জারি রাখতে চান।

নিজের রাজ্যসভার প্রার্থীপদ নিয়ে জহরবাবুর বক্তব্য, “আমি জানতে পেরেছি তৃণমূল কংগ্রেস আমাকে রাজ্যসভার একমাত্র আসনের জন্য মনোনয়ন দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় আর মাত্র দুটি দলেরই বিধায়ক রয়েছেন। BJP এবং ISF। আমার মনে হয় না তাঁরা আমাকে পছন্দ করে। আপনারা জানেন, আমার ৫ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই প্রসার ভারতীর CEO পদ থেকে আমি ইস্তফা দিই। কারণ আমি নরেন্দ্র মোদির একনায়কতন্ত্র, হিন্দুত্ব এবং দেশজুড়ে অর্থনৈতিক অব্যবস্থা মেনে নিতে পারিনি। এরপর থেকে আমি ধারাবাহিকভাবে এনডিএর বিরুদ্ধে প্রচার করেছি। যা অনেক বেশি ধারালো এবং মূলত বিশ্লেষণমূলক ছিল।” এরপরই তৃণমূলের দেওয়া মনোনয়ন গ্রহণ করার কারণ জানিয়ে দেন জহরবাবু। তিনি বলেন,”আমি এই মনোনয়ন গ্রহণ করেছি কারণ, এর ফলে আমি এই সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘন, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়তে পারব। পাশাপাশি, দেশের অর্থনীতি, বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি এবং করোনার (Coronavirus) মতো বিষয়গুলি নিয়ে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখতে পারব।”

[আরও পড়ুন: লক্ষ্য মুকুল রায়কে চাপে ফেলা! রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রার্থী দিতে চায় BJP]

প্রসঙ্গত, শনিবারই রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে প্রাক্তন IAS অফিসার জহর সরকারের নাম ঘোষণা করে তৃণমূল। ৬৯ বছর বয়সি এই বাঙালি IAS প্রায় ৪২ বছর কোনও না কোনও সরকারি পদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সবচেয়ে বেশিদিন ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের সচিব থাকার নজির রয়েছে তাঁর নামের পাশে। যখন যে বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন, সুনামের সঙ্গে সেই বিভাগে কাজ করেছেন। ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন প্রসার ভারতীর CEO। মোদি সরকারের কাজকর্মের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পেরেই পদত্যাগ করেন তিনি। এখনও তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষিত সমালোচকদের মধ্যে একজন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লেখালেখি, সব ক্ষেত্রেই প্রবল মোদি বিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত জহরবাবু। এবার সংসদেও শোনা যাবে তাঁর তীক্ষ্ণ কণ্ঠস্বর।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে

Advertisement

Advertisement

×