অর্ণব আইচ: পড়াশোনা শিখে দাদার মতো হতে হবে। ভাল চাকরি করতে হবে। অনেক অর্থ উপার্জন করতে হবে। ২১ বছরের ঋক বসুকে লাগাতার এসব কথাই শুনতে হত পরিবারের লোকেদের থেকে। ক্রমাগত দাদার সঙ্গে তুলনা টানা মোটে পছন্দ ছিল না তাঁর। আর তাই সহ্য হল না নিজের জীবন। এসব থেকে মুক্তি পেতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহননের পথই বেছে নিলেন গড়ফার বাসিন্দা।
[পঞ্চায়েতে জাতীয় রাজনীতির সমীকরণ, এনসিপির সঙ্গে হাত মেলাল ডিএসপি]
ঘটনা বুধবারের। বাইপাসের ধারে অভিষিক্তা আবাসনের একটি ঘর থেকে ঋকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। নিজের ল্যাপটপের চার্জারের তার গলায় জড়িয়েই ঝুলে পড়েছিলেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় গড়ফা থানার পুলিশকে। ঋককে বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। যদিও ঋকের পরিবারের তরফে খুনের কোনও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়নি। পুলিশেরও প্রাথমিক ধারণা, আত্মহত্যাই করেছেন ঋক। তাঁর মৃতদেহকে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।
[আসন সংখ্যার তুলনায় দেড়গুণ বেশি প্রার্থী, বিক্ষুদ্ধদের নিয়ে নাজেহাল শাসকদল]
ঋকের বাবাকে জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের বিকম অনার্সের চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র ছিলেন ঋক। চলতি মাসের ১৮ তারিখ থেকেই তাঁর পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পড়াশোনায় একেবারেই মন ছিল না ওই ছাত্রর। তাঁর দাদা দেবল বসুর সঙ্গে প্রায়ই তুলনা টানা হত তাঁর। কাজের সূত্রে জার্মানিতে থাকেন তাঁর দাদা। ঋকের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্যই বারবার তাঁকে দাদার কথা মনে করানো হত। সেই মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরেই হয়তো আত্মহত্যা করেছেন ঋক বলে অনুমান পুলিশের। গড়ফা থানায় ঘটনার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের পরই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে জানাচ্ছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের