Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Abhishek Banerjee

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ‘যুবযোদ্ধাদের’ নামতে হবে, ভারচুয়াল বৈঠকে বার্তা অভিষেকের

প্রতিটি এলাকায় দশটি করে পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে যুবশক্তির এই সদস্যদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২০, ২১:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২০, ২১:০৯

options
link
করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ‘যুবযোদ্ধাদের’ নামতে হবে, ভারচুয়াল বৈঠকে বার্তা অভিষেকের zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: করোনার (Corona) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দলের ‘যুবযোদ্ধাদের’ নামতে হবে। প্রথম ভারচুয়াল বৈঠকে দলের যুবশক্তির (Yuva Shakti) সদস্যদের এই বার্তা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। জেলায় জেলায় কয়েক লক্ষ যুবক-যুবতীকে দলে নিয়ে ‘বাংলার যুবশক্তি’ কর্মসূচি শুরু করেছে যুব তৃণমূল। তাদেরই মূল দায়িত্ব বুধবার বুঝিয়ে দেন সংগঠনের সভাপতি সাংসদ অভিষেক। কেন্দ্রের সরকারকে তোপ দেগে তিনি বলেন, “যুবযোদ্ধা মানেই দলের পতাকা ধরতে হবে, এমনটা নয়। অস্ত্রের জন্য লড়াই নয়, এখন বস্ত্রের জন্য লড়াই। এই মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে দেশে বাংলাই প্রথম করোনামুক্ত হবে।”

অভিষেক জানান, প্রতিটি এলাকায় দশটি করে পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে যুবশক্তির এই সদস্যদের। সেইসব পরিবারে কারও করোনা হলে, তিনি কোথায় টেস্ট করাবেন বলে দিতে হবে। তিনি কী কী সতর্কতা নেবেন, কোনওরকম গুজব না ছড়িয়ে দায়িত্ব নিয়ে সেই সবটা ওই পরিবারের পাশে থেকে করতে হবে। অভিষেকর কথায়, “সরকার করোনা আবহে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো সংক্রান্ত যে পরিষেবা দিচ্ছে, তার সবটা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। মানুষের সঙ্গে সেতুবন্ধনের কাজটা করতে হবে। মানুষের সমস্যা কোথায় তা দলকে জানাতে হবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘দ্বিতীয় তালিবানি শক্তি পশ্চিমবঙ্গে রাজ করছে’, বিশ্বভারতী কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের]

বিজেপিকেও একহাত নেন। বলেন, “যুব সমাজের একদল অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে ধর্মের হানাহানির উসকানি দিচ্ছে।” এর পরই জানিয়ে দেন, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম দেখবেন না। কোনও জাত বা ধর্ম দেখবেন না। করোনার আবহে সকলের পাশে দাঁড়ান। তবে কীসের বিনিময়ে এই কাজ করবেন যুবযোদ্ধারা? তার উত্তরও দিয়েছেন অভিষেক। বলেছেন, “আমি এই কাজ করার বদলে কী পাব, না ভেবে আমি কী দিতে পারব সেটা ভাবুন। বিবেকানন্দ, নেতাজি সুভাষ, গান্ধীজি সেটা ভেবেছিলেন বলেই আমরা একটা সুন্দর দেশ, সুন্দর সমাজ পেয়েছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.