১ আশ্বিন  ১৪২৫  মঙ্গলবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮  |  পুজোর বাকি আর ২৮ দিন

মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও রাশিয়ায় মহারণ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাতে হাতে মোবাইল। সময় পেলেই ঢুকে পড়া সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর তারপরেই উঁকিঝুঁকি প্রাক্তনের প্রোফাইলে। এককালের গাঢ় সম্পর্ক। এখন ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু সঙ্গী কেমন আছে তা জানতে ইচ্ছে করতেই পারে। এতদিন তার তেমন সুযোগ ছিল না। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে হাতের সামনেই এই সুযোগ। ফলে প্রাক্তনের প্রোফাইলে নজরদারি চালানো ফিলহাল সময়ে প্রায় রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই অভ্যাস কি স্রেফ অভ্যাসই? কোনও অসুখ নয়তো? মনোবিদরা বলছেন এই অভ্যাস এক গোপন অসুখেরও সংকেত দিচ্ছে।

জানেন, বারবার ফোটানো গরম চা শরীরের কী ক্ষতি করে? ]

অস্ট্রেলিয়ান এক মনোবিদ এই প্রবণতার বিশেষ একটি নাম দিয়েছেন। যাকে বলা হচ্ছে, ‘মাইক্রো চিটিং’। সরল অর্থে বলা যেতে পারে, নিজের সঙ্গীকে ঠকিয়ে অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলা। একরকম ঠকানোই। তবে অনেকেই ভারচুয়ালের দোহাই দিয়ে পার পেয়ে যেতে পারেন। কিন্তু আদতে ভারচুয়াল হলেও প্রতারণার মানসিককতায় তো কোনও ফারাক নেই। এরই নাম ‘মাইক্রো চিটিং’। এই প্রবণতায় একজন কী কী করতে পারেন? গোপনে প্রাক্তন সঙ্গীর প্রোফাইলে নজরদারি তো আছেই। এছাড়া কাউকে লাভ সাইন পাঠানো বা বিশেষ ইমোজি পাঠানো আছে। যা সাধারণত লোকে সঙ্গীকেই পাঠায়। কিন্তু যখন সঙ্গীকে গোপন করে অন্য কাউকে এই ধরনের ইমোজি পাঠানো হয় তখন বুঝতে হবে, সেই ব্যক্তির প্রতি প্রেরক অতিরিক্ত মাত্রায় ‘ডিজিটাল কনসাস’। এখান থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। এই প্রবণতা জানাচ্ছে, অনেক সময়ই এক্ষেত্রে কারও ফোন নম্বর কোড নামে সেভ করা হয়। যাতে গতিবিধি সাধারণ কেউ বা পাশে যিনি আছেন তিনি ঠাহর না করতে পারেন।

সঙ্গীর থেকে সহবাসের অনুমতি চান? পথ দেখাবে এই অ্যাপ ]

মনোবিদরা জানাচ্ছেন, যিনি গোপনে নজরদারি করছেন, বা কারও নাম গোপনে সেভ করছেন, তিনি আসলে কিছু চাপা দিতে চাইছেন। যাতে তাঁর আশেপাশের মানুষের কাছে ধরা না পড়ে যান, সে কারণেই এই ব্যবস্থা। এখন প্রশ্নটা হল, তিনি কাকে ঠকাচ্ছেন? অতীতে বারংবার কড়া নেড়ে একদিকে কেউ তাঁর বর্তমান সঙ্গীকে ঠকাচ্ছেন। পাশাপাশি নিজের বর্তমান অবস্থার সঙ্গেও প্রতারণা করছেন। অর্থাৎ নিজেই নিজেকে ঠকাচ্ছেন। এই গোপনীয়তা ও ঠকানোর প্রবণতা যে সম্পর্কে তাকেই বলা হচ্ছে মাইক্রো চিটিং। অর্থাৎ মনের দিকে অন্য কারও সঙ্গে নৈকট্য অনুভব করছেন। কিন্তু তা আর একজনের থেকে গোপন করে চলেছেন। স্রেফ ভারচুয়াল মিডিয়া বলেই বাস্তবে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না। কিন্তু এই মানসিকতা প্রতারণার মানসিকতার থেকে তেমন আলাদা কিছু নয়।

জানেন, বেশি সাইকেল চালালে যৌনজীবনে কী প্রভাব পড়বে? ]

অতএব সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকেই যদি প্রাক্তনের রাজত্বে মন পড়ে থাকে, তবে সাবধান হন। নিজেরই অজান্তে মনে অন্ধকার টেনে আনছেন কিনা, সে ব্যাপারে আর একবার ভাবুন। অন্যকে ঠকানো দূরের কথা। আগে নিজেকে চেনা জরুরি। বলছেন মনোবিদরা। বাকিটা অবশ্যই ব্যক্তিগত।

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং