ইতিমধ্যে তাপমাত্রার পারদ চড়েছে। রোদে পুড়তে শুরু করেছে শহর। এই কাঠফাটা গরমে শরীর অসুস্থ হয়। পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের ত্বক। ঘাম আর ধুলোবালিতে ত্বক হয়ে পড়ে নিষ্প্রাণ ও কালচে। শুধু দামি ক্রিম বা ফেসওয়াশ মেখে এই সমস্যার নিষ্পত্তি সম্ভব নয়। কারণ, ত্বকের আসল জেল্লা আসে ভেতর থেকে। শরীরে জলের অভাব ঘটলে ত্বক কুঁচকে যায়। জেল্লা হারায়। তাই এই সময় ডায়েটে এমন কিছু পানীয় রাখা জরুরি, যা শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি ত্বকের আর্দ্রতাও বজায় রাখবে। সেই সঙ্গে জোগান দেবে ত্বকের পুষ্টি। ফলে প্রসাধনী নয়, ভিতর থেকে ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও ফর্সা। এমন কোন পানীয়ে লুকিয়ে রয়েছে এই ম্যাজিক? জেনে নিন (Skin Care Tips)।
তরমুজ ও পুদিনার জাদু
গ্রীষ্মের অন্যতম সেরা ফল তরমুজ। এতে প্রায় ৯২ শতাংশ জল থাকে। তরমুজের লাইকোপিন উপাদান সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। দু-কাপ তরমুজের টুকরো, কয়েকটি পুদিনা পাতা আর সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে শরবত বানিয়ে নিন। এই পানীয় পান করলেই কেল্লাফতে! এটি কোলাজেন তৈরি করতে সাহায্য করে, ফলে ত্বক দেখায় সজীব ও উজ্জ্বল।
আরও পড়ুন:

শসা ও সেলারি জুস
ত্বক পরিষ্কার রাখতে ডিটক্স ড্রিঙ্কের জুড়ি নেই। শসায় থাকা সিলিকা ত্বকের টিস্যু মজবুত করে। শসা আর সেলারি একসঙ্গে মিশিয়ে রস করে খেলে শরীরের টক্সিন বেরিয়ে যায়। এতে ব্রণের সমস্যা কমে। স্বাদের জন্য সামান্য আদা বা আপেল মিশিয়ে নিতে পারেন।

ডালিম ও বেরির মিশ্রণ
অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ঠাসা ডালিম বার্ধক্য রুখতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে স্ট্রবেরি বা ব্লুবেরি মিশিয়ে নিলে গুণাগুণ আরও বাড়ে। এই মিশ্রণটি ত্বকের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে এবং অকাল বলিরেখা দূর করে।

গাজর ও হলুদের কেরামতি
গাজরে থাকে বিটা-ক্যারোটিন, যা শরীরে গিয়ে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। এটি প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন হিসেবে কাজ করে। এক গ্লাস গাজরের রসের সঙ্গে এক চিমটি হলুদ আর সামান্য আদা মিশিয়ে নিন। হলুদের কারকিউমিন ত্বকের প্রদাহ কমিয়ে ভেতর থেকে উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

চিয়া সিডস ও পাতিলেবু
সকাল শুরু করার জন্য এটি সেরা পানীয়। চিয়া সিডস জলে ভিজিয়ে রাখলে তা দীর্ঘক্ষণ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে। লেবুর ভিটামিন সি ত্বকের দাগছোপ দূর করতে সহায়ক। এই পানীয়টি মেটাবলিজম বাড়িয়ে ত্বকের পিএইচ (pH) ভারসাম্য রক্ষা করে।

ডাবের জল ও লেবু
প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটের সেরা উৎস হল ডাবের জল। গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে যে খনিজ বেরিয়ে যায়, তা পূরণ করে ডাবের জল। এর সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিলে তা ত্বকের কোষকে পুনরুজ্জীবিত করে। প্রতিদিন ডাবের জল খেলে ত্বকের রুক্ষ ভাব দূর হয়।

আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মিলবে ৫০ শতাংশ এরিয়ার! রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে পেনশনভোগীদের জন্য বিরাট সুখবর
-
‘আকাশ’ থেকে ‘মনোজ’, আত্মসমর্পণের পথে না হেঁটে নতুন নামে আড়াল খুঁজছেন মাওবাদী নেতা
-
রোগ সারাতে বাংলাদেশিদের ভরসা কলকাতাই! দেড় লক্ষ ভিসা আবেদনে মেডিক্যাল ট্যুরিজমে জোয়ার
-
মেসির গায়ে শুকোচ্ছে লেপ-কাঁথা-কম্বল! বিশ্বকাপের মাঝে এ কী অবস্থা সেই ‘বিখ্যাত’ মূর্তির
-
‘আরএন রবি বলছি’, রাজ্যপালের নামে অগ্নিমিত্রা-দুধকুমারকে ফোন, বালি থেকে যুবককে ধরল পুলিশ