Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Fashion News

‘ভারতই অনুপ্রেরণা’, কোলাপুরী স্টাইল ‘কপি-পেস্ট’ কাণ্ডে অবশেষে স্বীকার ইটালির নামী ফ্যাশন সংস্থার

২০১৯ সালে কোলাপুরী চপ্পল 'জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন' (GI) তকমাও পায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৫, ১৮:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৫, ১৮:৫৪

options
link
‘ভারতই অনুপ্রেরণা’, কোলাপুরী স্টাইল ‘কপি-পেস্ট’ কাণ্ডে অবশেষে স্বীকার ইটালির নামী ফ্যাশন সংস্থার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোজা কপি-পেস্ট! আর তাকে নিজেদের সৃষ্টি বলে দাবি করে আরও বিপাকে পড়েছিল ইটালির জনপ্রিয় ফ্যাশন সংস্থা। সেই ‘নকলনবীশ’ কীর্তি সাধারণ মানুষের নজরে পড়তেই জোরদার প্রতিবাদ শুরু হয় সোশাল মিডিয়ায়। জনচাপের মুখে পড়ে অবশেষে আসল কৃতিত্বের কথা স্বীকার করে নিল ইটালির সেই নামী কোম্পানি। জানিয়ে দিল, কোলাপুরী চপ্পল তৈরির নেপথ্যে অনুপ্রেরণা ভারতই। এদেশের শতাব্দীপ্রাচীন নকশা ফুটেছে তাদের জুতোয়। এনিয়ে লিখিত বিবৃতি দেওয়া হয়েছে সংস্থার তরফে।

ঐতিহ্যের কোলাপুরী চপ্পল।

২০২৬ সালে পুরুষদের ‘সামার কালেকশন’-এর অংশ হিসেবে ফ্ল্যাট, চামড়ার, নকশা করা জুতো তৈরি করেছিল ইটালির ওই ফ্যাশন। চড়া দামের ট্যাগ পড়ে তাতে। যা সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই রীতিমতো আঁতকে ওঠেন ভারতীয়রা। আর তা দেখে সবার আগে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মহারাষ্ট্রের বাসিন্দারা। এ তো হুবহু তাঁদের কোলাপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী পাদুকা! ‘কোলাপুরী চপ্পল’ নামে যা সর্বজনবিদিত।

Advertisement
পুরুষপদে কোলাপুরী চপ্পল।

একসময়ে রাজারাজড়ারা পা ঢাকতেন এই জুতোয়, সেটাই ছিল আভিজাত্যের প্রতীক। পরবর্তীতে তা ফ্যাশন দুনিয়ায় অন্য মাত্রা আনে। পুরুষ, মহিলা নির্বিশেষে অনেকেই মারাঠি স্টাইল পছন্দ করে ফেলেন। কলকাতায় গজিয়ে ওঠে ‘কোলাপুরী হাউস’। ২০১৯ সালে তা ‘জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন’ (GI) তকমাও পায়।

রংবাহারি কোলাপুরী।

কোলাপুরীর নিজস্ব সেই ঐতিহ্যের ইতিহাসকে কার্যত ছিনিয়েই নিতে চাইছিল ইটালির জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড। পুরুষদের সামার কালেকশনে সেই কোলাপুরী তৈরি করেছে তারা। সম্প্রতি প্যারিস শহরে সেই জুতো পরে র‌্যাম্প শো-ও হয়েছে।

প্যারিসের সেই ফ্যাশন শো। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

আর তাতেই দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই চপ্পল। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ বণিকসভাকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ করার কথা বলেন। মহারাষ্ট্র চেম্বার অফ কমার্স, ইন্ডাস্ট্রি ও এগ্রিকালচারের প্রেসিডেন্ট ললিত গান্ধী ইটালির ওই সংস্থার CSR লরেঞ্জো বারতেল্লিকে চিঠি লেখেন। তার পালটা জবাবে বারতেল্লিও চিঠি লিখে জানান, ”ভারতের এই হস্তশিল্প আমাদের গভীর ভালোলাগার জায়গা এবং আমরা তা স্বীকার করি। কৃতিত্ব ভারতীয় শিল্পীদের।”

ফ্যাশন দুনিয়ায় এধরনের মেলবন্ধন নতুন কিছু নয়। ভারতের যে কোনও হস্তশিল্প কিংবা ঐতিহ্যবাহী নকশাকে অনুকরণ বা অনুসরণ করে নতুন কোনও ডিজাইন করতেই পারেন যে কোনও ফ্যাশন ডিজাইনার সংস্থা। কিন্তু মূল বিষয়টির কৃতিত্ব দেওয়াটা জরুরি। আর সেখানেই ইটালির ওই নামী সংস্থা গোড়ায় ভুল করে বসেছিল। পরে চাপে পড়ে কৃতিত্ব স্বীকার করেছে। এ তো কোলাপুরীরই জয়!

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.