Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
FIFA World Cup

বেমানান সময়ে বিশ্বকাপ! ফুটবল ‘জ্বরে’ আগাম দাওয়াই চিকিৎসকদের, স্বাস্থ্যবিধি মানার বার্তা

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সব ম্যাচই এবার মাঝরাতে, বেমানান সময়ে। বছরের আর পাঁচটা দিন বাঙালিরা এমন সময় ডুবে থাকেন তৃপ্তির ঘুমে। এবার ফুটবল বিশ্বকাপের জ্বর ভাগ বসিয়েছে তাতেই।

Advertisement
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ১৮:০৪

link
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ১৮:০৪

options
link
বেমানান সময়ে বিশ্বকাপ! ফুটবল ‘জ্বরে’ আগাম দাওয়াই চিকিৎসকদের, স্বাস্থ্যবিধি মানার বার্তা zoom
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে মহানগরে দেওয়াল চিত্র। ছবি: অমিত মৌলিক।

উদ্বোধনী ম্যাচ শুরু রাত সাড়ে বারোটায়! শেষ হতে হতে দু’টো-আড়াইটে। একটা দু’টো নয়। ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সব ম্যাচই এবার মাঝরাতে, বেমানান সময়ে। বছরের আর পাঁচটা দিন বাঙালিরা এমন সময় ডুবে থাকেন তৃপ্তির ঘুমে। এবার ফুটবল বিশ্বকাপের জ্বর ভাগ বসিয়েছে তাতেই।

উত্তর আমেরিকায় ১২ জুন থেকে শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ। সে মহাদেশের সময় ভারতীয় সময়ের চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে। ফলে সিংহভাগ ম্যাচে দু’দল যখন মাঠে নামবে তখন ঘড়িতে রাত দেড়টা, সাড়ে বারোটা অথবা ভোর সাড়ে চারটে। ১২ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত টানা চলবে বিশ্বকাপ। একমাসেরও বেশি সময় ধরে। চিকিৎসকরা বলছেন, সার্কাডিয়ান রিদমের দফারফা হবে। কী এই সার্কাডিয়ান রিদম?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শরীরের জৈবিক ঘড়ি। শরীর মূলত একটা ছন্দে থাকে। প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় ঘুমনো। ঘুম থেকে ওঠা। এই অভ্যেসকে শরীর রপ্ত করে নেয়। যে কারণে ফি-দিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম আসে। ভেঙেও যায়। এই রিদমে ব্যাঘাত ঘটলে আসে ক্লান্তি। মেজাজ খিটখিটে হয়। দেখা যায় হজমের সমস্যা। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক বয়স্করোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অরুণাংশু তালুকদার জানিয়েছেন, এবার ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে গেলে মানতে হবে কিছু নিয়ম।

বাঙালি ফুটবল পাগল। খেলা ছাড়তে পারবেন না। তবে সাত ঘণ্টা ন্যূনতম ঘুম প্রয়োজন সকলের। চিকিৎসকের পরামর্শ, রাত দেড়টা, কিংবা ভোর সাড়ে পাঁচটার খেলাগুলো যখন দেখবেন তখন রাতের ঘুম বিঘ্নিত হবে। চেষ্টা করুন বিকেলে কিংবা সন্ধেবেলা একটু ঘুমিয়ে নিতে। সন্ধেবেলা যদি ঘুমোতে না পারেন। অন্তত খেলা দেখা শেষ হওয়ার পর টানা ছ’সাত ঘণ্টা জিরিয়ে নেবেন। ডা. অরুণাংশু তালুকদার জানিয়েছেন, শরীর একটা ইঞ্জিনের মতো। তাকে রেস্ট দিতেই হবে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, প্রথম কয়েকটা দিন একটু অস্বস্তি হবে। বিশ্বকাপ যতদিন চলবে জলটা একটু বেশি খাবেন। রাতের দিকে একটু হালকা খাবার খাবেন। রাত জেগে খেলা দেখা। অতিরিক্ত তেল-মশলা যুক্ত খাবার খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। ডা. তালুকদারের পরামর্শ, “নিজে নিজে কোনও ওষুধ বন্ধ করবেন না। তবে রাতে যাঁরা ঘুমের বড়ি খান চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নিন। ঘুমের বড়ি খেয়ে খেলা দেখতে গিয়ে পড়ে যেতে পারেন। বয়স্কদের জন্য সেটা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

বয়স্কদের চোখ শুকিয়ে যায় ঘনঘন। যে জন্য তাঁরা চোখ রগড়ান। বয়স বাড়ার সঙ্গে আই টিয়ার (চোখের জল) উৎপাদন অপেক্ষাকৃত কমে যায়। চিকিৎসকের অভিমত, পুরো ঘর অন্ধকার করে খেলা দেখবেন না। মাথার পিছনে একটা ছোট্ট আলো জ্বালিয়ে রাখুন। ঘর সম্পূর্ণ অন্ধকার করে টিভিতে খেলা দেখলে চোখের অস্বস্তি হতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.