Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
মিষ্টি

দীপাবলিতে বাজি দিয়েই সারুন পেটপুজো! জানেন কীভাবে?

ব্যাপারটা কী?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০১৯, ১৯:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০১৯, ১৯:২৮

options
link
দীপাবলিতে বাজি দিয়েই সারুন পেটপুজো! জানেন কীভাবে? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় বলে, বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। আর তার মধ্যে অন্যতম কালীপুজো। আলোর উৎসবে মেতে ওঠার দিন। মোমবাতি, প্রদীপ দিয়ে ঘর সাজিয়ে পরিবারের সকলের সঙ্গে আতসবাজির রোশনাইতে মেতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রায় সকলেই। কিন্তু উৎসবমুখর আমজনতার কাছে পেটপুজোও যে একটা বড় বিষয়। তাই এই দীপাবলিতে ফাটানোর পাশাপাশি পেট ভরাতে পারেন বাজি দিয়ে। ভাবছেন তো, এ আবার কী? সেই ছোট্ট থেকে দেখলেন শারীরিক ক্ষতির আশঙ্কায় বাজির হাতে খাবারও ধরতে দেওয়া হত না। তাহলে কি সবই মিথ্যে আশঙ্কা?  মনে নানা প্রশ্নের ঝড় বইছে তো? তবে এত ভাবনাচিন্তার কোনও কারণ নেই। বরং একটু রাজস্থানের যোধপুরের দিকে নজর রাখুন।

দীপাবলির প্রস্তুতির মাঝে সাধারণ মানুষকে চমক দিতে প্রস্তুত যোধপুরের মিষ্টি প্রস্তুতকারকেরা। এ বছর দীপাবলি উপলক্ষে তাঁরা তৈরি করেছেন নানা বাজির আকারে মিষ্টি। ফুলঝুরি, তুবড়ি, কালীপটকা, হাওয়াই কি নেই সেই তালিকায়? দোকানে সারি সারি সাজিয়ে রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। যা দেখে দূর থেকে আপনি ধরতে পারবেন ওগুলি আতসবাজি নাকি মিষ্টি। যোধপুরের বাজারে এখন এই মিষ্টিই হটকেক। আট থেকে আশি প্রায় সকলের মন জয় করেছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রেস্তরাঁয় রান্না থেকে পরিবেশন সবই করছে রোবট, জানেন কোথায়?]

বাড়ির খুদে সদস্য বাজি কেনার জন্য যেমন বায়না করছে। আবার তেমনই তার নজর টেনেছে ওই মিষ্টি। এখন যোধপুরের খুদেদের একটাই বায়না বাজি ফাটানোর পাশাপাশি বাজি দিয়ে পেট ভরাবে তারা। আবদার মেনে বাধ্য হয়ে দোকানে ঢুঁ মারছেন বাড়ির বড়রা। মিষ্টি বিক্রেতারা অবশ্যই এমন বিকিকিনির সুযোগ হাতছাড়া করতে নারাজ। তাই অক্লান্ত পরিশ্রম করে মিটিয়ে যাচ্ছেন ক্রেতাদের চাহিদা। হাসি মুখে বিক্রেতারা বলছেন,”শরীরের কথা ভেবে অনেকেই মিষ্টির দিক থেকে মুখ ফিরিয়েছেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই কমেছে বিক্রির হার। কিন্তু বাজি মিষ্টির বিক্রি রয়েছে যথেষ্ট। উৎসবের দিন একটু বেশি আয় হলে কার না ভাল লাগে?” অল্প দামে একটু অন্যরকমের মিষ্টি পেয়ে খুশি ক্রেতারাও। তাঁদের একটাই বক্তব্য, সারা বছর ডায়েট তো রয়েছে। কিন্তু উৎসবের দিন কি আর না খেলে চলে? তাই মন চাইলে আপনিও কিনে ফেলুন এই ব্যতিক্রমী মিষ্টি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.