সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একটি শিশুর বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে স্তন্যদুগ্ধের কোনও বিকল্প হয় না। তাই চিকিৎসকরাও নবজাতকদের মাতৃদুগ্ধ খাইয়ে বড় করার বিষয়ে উৎসাহ দেন। কিন্তু কেউই স্তন্যদুগ্ধের স্বাদ কেমন, তা বলতে পারব না। তবে মার্কিন শিশুপণ্যের ব্র্যান্ড ‘ফ্রিডা’ নিল নয়া উদ্য়োগ। স্তন্যদুগ্ধের স্বাদের আইসক্রিম বাজারে আনতে চলেছে ওই সংস্থা। স্ট্রবেরি, ভ্যানিলা, চকলেট-সহ নানা স্বাদের আইসক্রিম খেতে অভ্যস্ত প্রায় সকলেই। তাঁরা এই নতুন স্বাদের আইসক্রিমের কথা শুনে যেন আর অপেক্ষা করতে পারছেন না। তবে ওই সংস্থার সাফ বক্তব্য, শিশু যেমন ভূমিষ্ঠ হতে ৯ মাস সময় নেয়। ঠিক তেমনই মাতৃদুগ্ধের স্বাদযুক্ত আইসক্রিম খেতে অপেক্ষা করতেই হবে।
মাতৃদুগ্ধ অমূল্য। তাই আমেরিকায় খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা স্তন্যদুগ্ধের তৈরি কোনও খাবারকেই অনুমোদন দেয় না। তাই ‘ব্রেস্ট মিল্ক আইসক্রিম’ আসল স্তন্যদুগ্ধ দিয়ে তৈরি তা নয়। ‘ফ্রিডা’র দাবি, এই আইসক্রিমে স্তন্যদুগ্ধের পুষ্টিগুণ আছে তা নয়। শুধুমাত্র স্বাদকে অনুকরণ করা হয়েছে। এছাড়া ওই আইসক্রিমে মিষ্টি দেওয়া থাকবে। আবার নোনতাও হতে পারে। দেওয়া হতে পারে বাদামও।
সম্প্রতি সংস্থার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও শেয়ার করে এই আইসক্রিমের কথা সকলকে জানানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে ওই ভিডিও যেন বিদ্যুতের গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। অনেকে এই নতুন স্বাদের আইসক্রিম খাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে বসে রয়েছেন। কবে পাওয়া যাবে কেউ কেউ বারবার প্রশ্ন করেছেন। সংস্থার তরফে যদিও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ৯ মাসের আগে কোনওভাবেই পাওয়া যাবে না। অনলাইনে অর্ডারের পরামর্শও সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে। তবে কেউ কেউ বেশ বিরক্ত। তাঁরা বলছেন, এটি মানুষকে বোকা বানিয়ে সংস্থার প্রচার কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই এপ্রিল ফুলের দিন এই ভিডিওটি পোস্ট করার উচিত ছিল বলেও সংস্থাকে পরামর্শ দিয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ।
View this post on Instagram
সর্বশেষ খবর
-
নেপালে নিখোঁজ মাদ্রাজ হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি, প্রধান বিচারপতিকে চিঠি বার অ্যাসোসিয়েশনের
-
‘আজাদি’ স্লোগানে ‘দেশদ্রোহী’ বলার সুযোগ পাচ্ছে বিজেপি! বিতর্ক থেকে দূরে থাকতে কী ভাবনা সিপিএমের?
-
‘গুমঘরে’ শাস্তিভোগে ইতি, এবার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন ইমরান! পাবেন সংবাদপত্র-বই, নির্দেশ পাক আদালতের
-
হার্দিক কেকেআরের পথে! মুম্বইয়ের নেতৃত্বে ফের রোহিত? চর্চায় আরও দুই তারকার নাম
-
ডেঙ্গু সারাতে বাংলার ভরসা উত্তরপ্রদেশের ‘কুণাল’, প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ওষুধের মান