৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্গাপুজো সদ্য শেষ হয়েছে। কেটেছে লক্ষ্মীপুজোও, সামনেই দীপাবলী। উৎসবের এই মরশুমে যেদিকেই তাকাবেন দেখবেন ‘সেল’ এর ধুম লেগেছে। কেউ ৩০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে তো কেউ ৫০ শতাংশ। ইলেক্ট্রনিকস থেকে শুরু করে পোশাক- তালিকায় পিছিয়ে নেই কেউ-ই। কিন্তু ডিসকাউন্টের লোভে পড়ে প্রচুর জিনিসপত্র কিনে ফেললে বিপাকে পড়তে আপনি। জানেন কি, উৎসবের এই আবহে কীভাবে আপনাকে বোকা বানানো হয়? জেনে নিন সত্যিটা-

১. সেল শেষের তাড়া- সেলের শেষ দিন আজই। লিমিটেড স্টক। শেষ হয়ে যাবে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই। এই সব শব্দই আপনি শুনতে ও দেখতে পাবেন এই ধরনের সেলে। ফ্রি গিফট আর ডিসকাউন্টের লোভ দেখিয়ে আপনাকে শপিং মল, দোকানে টেনে আনার তাড়া। এগুলি আসলে মার্কেটিং গিমিক ছাড়া আর কিছুই নয়। চিন্তা করবেন না, গণেশ চতুর্থী না হলে নবরাত্রি। নবরাত্রি না হলে দীপাবলি। দীপাবলিতে না হলে বড়দিন বা নিউ ইয়ার। একটা উৎসব শেষ হতে না হতে আর একটা উৎসব চলে আসে। আর সেই উপলক্ষে আর একটা নতুন সেলও শুরু হয়। তাই এখনই তাড়াহুড়ো করার কোনও দরকার নেই।

[সেক্স নিয়ে একডজন গোপন তথ্য, যা কেউ আপনাকে বলবে না!]

২. ফ্রি-এর লোভ: কী ফ্রি? ফ্রি বলে আসলে কিছুই হয় না। কেউ নিজের ঘর থেকে এক টাকাও দেয় না আপনাকে। কীভাবে আপনাকে বোকা বানানো হয় জানেন? ধরুন, আপনার দরকার দু’টি টি-শার্ট। অথচ, দোকানে বলা হয়, চারটি কিনলে একটি টি-শার্ট আপনি ফ্রি পাবেন। আর এতেই আপনি লোভে পড়ে যান। হয়তো ভাবেন, আর দুটো কিনেই নিই, পরে কাজে লেগে যাবে। আর এভাবেই আপনাকে দু’টি নয়, চারটি টি-শার্ট কিনতে মানসিকভাবে বাধ্য করে দোকানিরা। অথচ যে টি-শার্ট ফ্রি দেওয়া হয়, সেটির মান কিন্তু অন্যগুলির তুলনায় খানিকটা খারাপই হয়।

৩. আকর্ষণীয় অফার হারানোর ভয়: বিজ্ঞাপনে আপনাকে একরকম ভয় দেখানো হয় যে এবারের অফারটি চলে গেলে আর আসবে না। কেন আসবে না? একবার নয়, বারবার আসবে। দিওয়ালিতে কোনও অফার ফুরোলে নিউ ইয়ারে ফিরে আসবে ঠিকই। এগুলি স্রেফ বিক্রি বাড়ানোর গিমিক।

[জানেন, বড় স্তনের জন্য কী কী অসুবিধা হয় মহিলাদের?]

৪. সেভিংসের লোভ: আপনাকে দেখানো হয় যে নতুন পণ্যটি কিনলে আপনার প্রচুর সেভিংস হবে। কিন্তু সত্যি কি তাই? ধরা যাক, আপনি বিজ্ঞাপনে দেখলেন একটি এসির দাম ২০ হাজার টাকা। কিন্তু কেনার সময় দোকানে গিয়ে দেখলেন আসলে এসিটির দাম অনেক বেশি। এক্সচেঞ্জ অফারে কিনলে তবে বিজ্ঞাপনের দামে পাবেন। বা অন্য কোনও শর্ত থাকে। মানুষের চোখে যাতে আগে পড়ে এভাবে বড় হরফে দাম লেখা থাকে। কিন্তু যেটা অনেকেরই চোখে পড়ে না সেটা হল শর্তাবলী প্রযোজ্য লেখা লাইনটি।

৫. ডিসকাউন্টের পিছনে আসল সত্যিটা: ধরা যাক বিমানের টিকিটে আপনাকে ৫০ শতাংশ ছাড়ের কথা ফলাও করে জানানো হয়েছে বিজ্ঞাপনে। কিন্তু টিকিট কাটতে গিয়ে আপনি দেখতে পাবেন, ন্যূনতম একটি অঙ্কের টিকিট কাটলে তবেই আপনি খানিকটা ছাড় পাবেন। এভাবেই ডিসকাউন্টের লোভ দেখিয়ে কাউকে পণ্যের প্রতি আকৃষ্ট করা হয় কিন্তু ভিতরের সত্যিটা সুকৌশলে ঢেকে রাখা হয়।

কীভাবে হাতছানি এড়াবেন এই সব অফারের? সবার আগে ভেবে দেখুন আপনার কি সত্যিই ওই জিনিসটির প্রয়োজন রয়েছে। যদি নাই থাকে, তাহলে কিনবেন না। এখন দাম কম রয়েছে, পরে বেড়ে যেতে পারে-এসবই আপনার অমূলক আশঙ্কা। ওই যে বললাম না, দিওয়ালি গেলে বড়দিন আসবে, সেটাও গেলে স্বাধীনতা দিবস। অফারের কোনও শেষ হয় না। তাই বিজ্ঞাপনের লোভে পা না দিয়ে শুধুমাত্র যে জিনিসটি দরকার, সেটাই কিনুন।

[মিলনের আগে মহিলারা কী কী করেন, যা স্বীকার করতে চান না?]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং