সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় প্রতিটি গৃহস্থ বাড়িতেই লক্ষ্মীপুজোর আয়োজন করা হয়। নিজে হাতে প্রতিমা সাজিয়ে, পুজোর ব্যবস্থাপনা, ভোগ রান্না করেন গৃহিণীরা। বহু মহিলাই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন ভাত কিংবা চিঁড়ে অর্থাৎ ধান থেকে উৎপাদিত খাবার খান না। আবার কেউ কেউ নির্জলা উপবাস করেন। চিকিৎসকদের মতে, দেবীর আশীর্বাদ লাভের আশায় উপবাসের ফলে শারীরিক নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাঁদের পরামর্শ, শরীর স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন খাবার খান। নইলে বড় কোনও বিপদ হতে পারে।
* কোজগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সকালে লেবু জল কিংবা রাতভর জিরে ভেজানো জল খেয়ে নিন। তাতে হজমের সমস্যা কমতে পারে।
* কিছুক্ষণ পর লাল চা এবং সঙ্গে খান বিস্কুট। ভেজানো আমন্ড খেতে পারেন। অবশ্যই খোসা ছাড়িয়ে আমন্ড খাবেন।
* হালকা খাবার কিছু খাওয়ার পর একটু বেলায় ফল খান। তালিকায় থাকতে পারে আপেল, কলা, পাকা পেঁপে।
* অবশ্যই এদিন একটা ডাবের জল খান। তাতে শরীরে এনার্জি এবং জলের জোগান দু’টিই হবে।
* দুপুরের দিকে হালকা খাওয়াদাওয়া করুন। সাবুদানার খিচুড়ি খেতে পারেন। কিছুক্ষণ পর একটু টকদই খেতে পারেন। তার সঙ্গে শশা খেলেও মন্দ হয় না।
* বিকেলের দিকে মাখানা খেতে পারেন। তারপর খান চা-বিস্কুট। কোজগরীর লক্ষ্মীপুজোর দিন যেহেতু খাওয়াদাওয়া একটু অনিয়ম হতে পারে, তাই দুধ চা না খাওয়াই ভালো।
* পুজো শেষে লুচি না খাওয়াই ভালো। তার বদলে ভোগের খিচুড়ি খেতে পারেন। আর না হলে সমস্ত সবজি দিয়ে স্যুপ খেতে পারেন। কিংবা ছানাও খেতে পারেন।
সারাদিনের পরিশ্রমের পর রাতে যাতে পর্যাপ্ত ঘুম হয়, সেদিকে নজর দিন। নইলে বদহজম-সহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সর্বশেষ খবর
-
নির্দল থেকে চেয়ারম্যান পদে! তৃণমূলের সমর্থনে কামারহাটির পুরপ্রধান লকেটের দাদা
-
বিধায়কদের ক্লাস করাতে এসে শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ওম বিড়লা! মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় বাম-তৃণমূল
-
বিজ্ঞান জগতেও সমাদৃত শ্যামাপ্রসাদ! নতুন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ার নামকরণে ‘ভারত কেশরী’
-
ব্রিজে ওঠার মুখে গাড়ির উপর ভেঙে পড়ল লোহার বার, বন্ধ বাগুইআটি ফ্লাইওভার
-
মিলবে ৫০ শতাংশ এরিয়ার! রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে পেনশনভোগীদের জন্য বিরাট সুখবর