Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
doomscrolling

রাতে ঘুম আসে না, সকালে ব্যায়ামের সময় নেই, কেন ঘাঁটছে ব্যালেন্স, জানাচ্ছেন চিকিৎসক

রাতে ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় ধরে সোশাল মিডিয়া স্ক্রোল করে যাই আমরা। মনোবিদেরা বলছেন, সারাদিন যে অবসর পাওয়া যায়নি, ফোন স্ক্রোল করে তা পুষিয়ে নিতে চাই। স্বাভাবিকভাবেই, একবার সোশাল মিডিয়ায় রঙচঙে জগতে ডুব দিলে, সময়ের হুঁশ থাকে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২৬, ১৯:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০২৬, ১৯:৫৫

options
link
রাতে ঘুম আসে না, সকালে ব্যায়ামের সময় নেই, কেন ঘাঁটছে ব্যালেন্স, জানাচ্ছেন চিকিৎসক zoom
চোখ খুলেই ফোন দেখতে গিয়ে কখন যেন নষ্ট হয়ে যায় ব্যায়াম করার সময়!

রাতের পর রাত ঘুম আসছে না। সারাদিনের ক্লান্তির পরেও কোনওভাবেই এক করা যাচ্ছে না দুই চোখের পাতা। ফলত সকালে ঘুম ভেঙে থেকে ক্লান্তিতে জবুথবু লাগছে শরীর। সেই ক্লান্তি আবার বয়ে চলা হচ্ছে পরের সমস্ত দিনজুড়ে। এভাবেই দীর্ঘদিনের শারীরিক অবসাদ জমে এক সময় কাহিল হয়ে পড়ছে মানুষ।

how doomscrolling affects sleep leaves no time for exercise
সারাদিন জুড়ে ক্লান্তির রেশ রয়ে যায়, প্রভাব ফেলে দিনের যে কোনও কাজেই।

কর্মশক্তি কীভাবে পাওয়া যাবে জানতে চাইলে চিকিৎসক হয়তো বলছেন, নিয়মিত ব্যায়াম করার কথা। কিন্তু করবেন কখন? রাতে ঘুম আসে না বলেই সহজে ভাঙতেও চায় না সকালে। ভাঙলেও, শরীর ভীষণ দুর্বল লাগে। সেই অবস্থায় ব্যায়াম করার প্রশ্ন উঠছে না। এছাড়া আর অন্য কোনও সময় নেই ব্যায়াম করার মতো। অতএব রাতে ঘুম না আসা আর সকালে ব্যায়াম না করতে পারার এই পরিস্থিতির কোনও অন্ত নেই! কী করা যায় তাহলে? কী করে ফেরানো যায় কর্মক্ষমতা?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চিকিৎসকেরা বলছেন, সময়ের অভাব নয়। সারাদিনের স্বাভাবিক নিয়মে ব্যাঘাত ঘটানোর জন্য সিংহভাগ দায় কেবলমাত্র স্মার্টফোনের (doomscrolling)! আজ্ঞে হ্যাঁ, সারাক্ষণ আমাদের হাতে থাকা স্মার্টফোনটি যে কখন আমাদের অচিরেই চব্বিশ ঘণ্টার দিনটিকে ছেঁটে ছোট করে ফেলেছে, তা আমরা জানতেও পারিনি। অথচ কোনও কাজের জন্য যখন আলাদা করে সময় বের করতে যাই, তখন দেখি মিলছে না এক ফোঁটাও।

রাতে ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় ধরে সোশাল মিডিয়া স্ক্রোল করে যাই আমরা। মনোবিদেরা বলছেন, সারাদিন যে অবসর সময় ভাগে পাওয়া যায়নি, ফোন স্ক্রোল করে তা পুষিয়ে নিতে চাই আমরা। স্বাভাবিকভাবেই, একবার সোশাল মিডিয়ায় রংচঙে জগতে ডুব দিলে, সময়ের হুঁশ থাকে না। হয়তো যতক্ষণে খেয়াল করা যায়, ততক্ষণে রাত গড়িয়ে গিয়েছে অনেকখানি।

নিয়মিত ঘুমের আগে ফোনে ডুবে থাকলে এতটাই আসক্তি তৈরি হয় যে এক সময় যদি আমরা ফোন দূরে রাখতে চাই, তবে শারীরিক-মানসিক অশান্তি অনুভব করি। সকালে উঠেও ফের শুরু হয় স্ক্রোলিং। চোখ খুলেই সবার প্রথমে ফোনের দিকে হাত বাড়াই আমরা। চিকিৎসকেরা বলছেন, প্রতিদিন ঘুম ব্যহত হওয়ার পিছনে প্রধান কারণ এটিই। সকালবেলা ক্লান্ত লাগার পিছনেও এটিই কারণ। প্রতিদিনের রুটিন নিয়ে ভাবার সময়, ফোন স্ক্রোলিং-এর খাতে যে কতখানি সময় নষ্ট হচ্ছে, সে বিষয়ে সচেতন হই না আমরা।

how doomscrolling affects sleep leaves no time for exercise
রাতের পর রাত ঘুম না আসার পিছনে অন্যতম দায় স্মার্টফোনেরই!

চিকিৎসকদের মতে, ওষুধের প্রয়োজন নেই। তবে যতই অস্বস্তি হোক না কেন, জোর করে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে ফোন। সকালে সময় দেখার ইচ্ছে হলে, ফোনের বদলে ঘড়ি ব্যবহার করতে হবে। আধ ঘণ্টা হলেও ব্যয় করতে হবে ব্যায়ামের জন্য। রাতে ঘুমানোর আগে ই-বুকের বদলে সত্যিকারের বইতে মনোনিবেশ করতে হবে। এই একটি সহজ সমাধানই ক্লান্তির অনন্ত লুপ ভেঙে দিতে সক্ষম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.