Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Ruby General Hospital

জটিল অস্ত্রোপচারে অসাধ্য সাধন, প্রৌঢ়ের পেট থেকে ৯ কেজির মারণ টিউমার সরালো রুবি হাসপাতাল

হাসপাতাল সূত্রে খবর, পেটে অসহ্য যন্ত্রণা ও অস্বাভাবিক ফোলা ভাব নিয়ে প্রৌঢ় শরণাপন্ন হয়েছিলেন রুবি হাসপাতালের বিশিষ্ট ক্যানসার শল্য চিকিৎসক ডঃ ঐন্দ্রিলা বিশ্বাসের কাছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৩:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৩:৩৪

options
link
জটিল অস্ত্রোপচারে অসাধ্য সাধন, প্রৌঢ়ের পেট থেকে ৯ কেজির মারণ টিউমার সরালো রুবি হাসপাতাল zoom

আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান ও মানবিক স্পর্শের মেলবন্ধন ঘটলে যে অসাধ্য সাধন সম্ভব, তা আরও একবার প্রমাণ করল রুবি জেনারেল হাসপাতাল (Ruby General Hospital)। সম্প্রতি হাসপাতালের অভিজ্ঞ শল্য চিকিৎসকদের হাত ধরে এক ৫৫ বছরের প্রৌঢ় ফিরে পেলেন নতুন জীবন। দীর্ঘক্ষণের জটিল অস্ত্রোপচারের পর তাঁর পেট থেকে বের করে আনা হল ৯ কেজি ওজনের এক দানবীয় টিউমার।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, পেটে অসহ্য যন্ত্রণা ও অস্বাভাবিক ফোলা ভাব নিয়ে প্রৌঢ় শরণাপন্ন হয়েছিলেন রুবি হাসপাতালের বিশিষ্ট ক্যানসার শল্য চিকিৎসক ডঃ ঐন্দ্রিলা বিশ্বাসের কাছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, রোগীর পেটে বাসা বেঁধেছে ‘রেট্রোপেরিটোনিয়াল লিপোসারকোমা’। এটি একটি বিরল শ্রেণির ম্যালিগন্যান্ট টিউমার। প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে গড়ে মাত্র ০.৩ থেকে ০.৪ শতাংশের শরীরে এই রোগ দেখা দেয়। টিউমারটি পেটের ডান দিক থেকে বাঁ দিক পর্যন্ত এমনভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল যে, তা ডান কিডনি এবং প্রধান রক্তবাহিকাগুলিকে জাপটে ধরেছিল।

Advertisement
বিশিষ্ট ক্যানসার শল্য চিকিৎসক ডঃ ঐন্দ্রিলা বিশ্বাস

পরিস্থিতি ছিল যথেষ্ট উদ্বেগজনক। কিন্তু পিছিয়ে আসেননি রুবির চিকিৎসকেরা। ডঃ ঐন্দ্রিলা বিশ্বাসের সুযোগ্য নেতৃত্বে গঠিত হয় বিশেষজ্ঞ দল। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে চলে দীর্ঘ অস্ত্রোপচার। অত্যন্ত কৃতিত্বের বিষয় হল, কোনও প্রধান অঙ্গ বাদ না দিয়ে এবং সামান্য রক্তপাতে সম্পূর্ণ টিউমারটি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়। অস্ত্রোপচারের পর দেখা যায় টিউমারটির ওজন প্রায় ৯ কেজি। আয়তনে সেটি ছিল ৩৫ সেমি x ২৫ সেমি।

চিকিৎসার পর ওই প্রৌঢ় এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। ষষ্ঠ দিনের মাথায় হাসিমুখে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন তিনি। ডঃ ঐন্দ্রিলা বিশ্বাস জানান, “সঠিক পরিকল্পনা এবং হাসপাতালের উন্নত পরিকাঠামো এই অসাধ্য সাধনে সাহায্য করেছে।” এই সাফল্য শহরের স্বাস্থ্য মানচিত্রে রুবি জেনারেল হাসপাতালের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়িয়ে দিল। সাশ্রয়ী খরচ আর বিশ্বমানের পরিষেবা দিয়ে রুবি যে সাধারণ মানুষের চিরকালীন আস্থার স্থল, তা আরও একবার প্রমাণিত হল।
ওয়েবসাইট: https://rubyhospital.com/

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.